Custodial Death

থানার ভিতরেই আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা! পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন রহস্যমৃত্যু বন্দির, খুন করা হয়েছে বলে দাবি পরিবারের

সোমবার রাহুলের দেহের ময়নাতদন্ত করানো হবে। তার পরে দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে। কীভাবে মৃত্যু হল, তা নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত হতে পারে বলে জেলা পুলিশের আধিকারিক জানিয়েছেন। যদিও এই বিষয়ে পুলিশ সুপারের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, পশ্চিম মেদিনীপুর
  • শেষ আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১:৪৫

আবার পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন বন্দির মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। এ বার পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা থানা। পুলিশ সূত্রের খবর, রবিবার থানার শৌচাগারে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। চুরির অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে বাঁচানো যায়নি। পরিবারের অভিযোগ, ‘তাঁকে মেরে ফেলা হয়েছে।’

মৃতের নাম রাহুল রুইদাস (২০)। রাহুল চন্দ্রকোনা থানার বাগেশ্বরপুরের বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, গত চারদিন আগে রাহুলকে চুরির অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। তাঁকে ঘাটাল মহকুমা আদালতে হাজির করানো হলে চার দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। পুলিশ সূত্রের খবর, পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন রবিবার তিনি শৌচাগারে যান। সেখানে পরনে প‍্যান্ট গলায় জড়িয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

শৌচাগারের ভিতরে শব্দ শুনে পুলিশ ভিতরে ঢোকে। তাঁকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। প্রথমে তাঁকে চন্দ্রকোনা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ঘাটল মহকুমা হাসপাতালে হাজির করানো হয়। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় রাহুল রুইদাসের মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয়দের বক্তব্য, রাহুল নিয়মিত নেশা করত। চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল। যদিও সেই কথা পরিবার স্বীকার করেছে। যুবকের ভাইয়ের বক্তব্য, “আমার দাদাকে মেরে ফেলা হয়েছে। পুলিশের কেউ বলছে, প‍্যান্টের দড়ি গলায় জড়িয়েছে। কেউ বলছে দেওয়ালে মাথা ঠুকেছে। দুই পুলিশ দু’রকম বলছে।” 

সোমবার রাহুলের দেহের ময়নাতদন্ত করানো হবে। তার পরে দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে। কীভাবে মৃত্যু হল, তা নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত হতে পারে বলে জেলা পুলিশের আধিকারিক জানিয়েছেন। যদিও এই বিষয়ে পুলিশ সুপারের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।


Share