Accident

বেপরোয়া লরির ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত কাঠের দোকান, চালক-খালাসী আটক; ক্ষতিপূরণের দাবি ব্যবসায়ীর

নদিয়ার শান্তিপুর থানার ফুলিয়া কাট-আউট এলাকায় বেপরোয়া লরির ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত হল একটি কাঠের দোকান। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচেন দোকান মালিক অনিল দাস।

চন্দ্রনাথ রথকে খুনের ঘটনায় গ্রেফতার দু’জন।
নিজস্ব সংবাদদাতা, নদিয়া
  • শেষ আপডেট: ৩১ জুলাই ২০২৬ ০৯:২৬

নদিয়ার শান্তিপুর থানার ফুলিয়া কাট-আউট এলাকায় বেপরোয়া গতির একটি লরির ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত হল একটি কাঠের দোকান। শুক্রবার ঘটে  ঘটনাটি। ঘটনায় অল্পের জন্য দোকানের মালিক প্রাণে বাঁচেন। তাঁর নাম অনিল দাস। দুর্ঘটনার পর ঘাতক লরি, তার চালক এবং খালাসীকে ফুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ আটক করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দ্রুতগতিতে আসা একটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে থাকা অনিল দাসের কাঠের দোকানে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কার জেরে দোকানের টিনের কাঠামোর একাংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

দোকান মালিক অনিল দাস জানান, তিনি দোকানের ভিতরে বসে ছিলেন। হঠাৎই একটি লরি বেপরোয়া গতিতে এসে দোকানে ধাক্কা মারে। প্রাণ বাঁচাতে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে পাশের দিকে সরে যান। তাঁর অভিযোগ, চালকের পরিবর্তে খালাসী গাড়ি চালাচ্ছিল। সেই কারণেই লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন। সময়মতো সরে যেতে না পারলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত বলেও তিনি জানান।

ঘটনার খবর পেয়ে শান্তিপুর ট্রাফিক পুলিশ ও ফুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ কিছুক্ষণের মধ্যেই  ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান, এই দুর্ঘটনায় দোকানের প্রায় পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি উপযুক্ত ক্ষতিপূরণেরও দাবি করেন।

অন্য দিকে আটক লরির চালক লালচাঁদ শেখ স্বীকার করেন, দুর্ঘটনার সময় তিনি চালকের আসনে ছিলেন না। তাঁর দাবি, খালাসী গাড়ি চালাচ্ছিল। রাস্তার পাশের গার্ডওয়ালে ধাক্কা লাগার পর ব্রেক কাজ না করায় লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দোকানে ঢুকে পড়ে। খালাসীকে দিয়ে গাড়ি চালানো তাঁর ভুল হয়েছে বলেও তিনি স্বীকার করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার পরপরই ঘাতক লরিটি আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি চালক ও খালাসীকেও আটক করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।


Share