Attempted to Murder

পুরোনো বিবাদকে সামনে রেখে যুবকের গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারার অভিযোগ বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে! ব্যান্ডেলের ঘটনায় জখম দু’জন, তদন্তে পুলিশ

হুগলির ব্যান্ডেলের পশ্চিম বলাগড়ের দাসপাড়ায় ঘটনাটি ঘটেছে। দু’জন যুবক ঘটনায় জখম হয়েছে। তাঁদের রামদা দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় দু’জনকে আটক করা হয়েছে।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, ব্যান্ডেল
  • শেষ আপডেট: ১৬ আগস্ট ২০২৬ ০২:৩৩

হুগলির ব্যান্ডেলে দুই যুবককে রামদা দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠল। ঘটনায় খুনের চেষ্টার অভিযোগে দুই যুবককে আটক করেছে চুঁচুড়া থানার পুলিশ। শনিবার রাতে হুগলি-চুঁচুড়া পুরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম বলাগড়ের দাসপাড়ায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায়। জখম যুবকের পরিবারের দাবি, অভিযুক্তেরা বিজেপির কর্মী।

স্থানীয় সূত্রের খবর, ৮০ তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এলাকার একটি ক্লাবে খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সময় ক্লাবের সামনের মাঠে কয়েক জন যুবক বসেছিলেন। আচমকাই দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। কথা কাটাকাটি থেকে পরিস্থিতিতে গড়ায় হাতাহাতিতে। অভিযোগ, এরপর বাড়ি থেকে রামদা নিয়ে এসে রাহুল দাস নামে এক যুবকের ওপর হামলা চালান শুভ দাস নামে আরেক যুবক। রাহুলের গলায় কোপ লাগে। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে অভিজিৎ মিত্র নামে আরও এক যুবক জখম হন। তাঁর হাতেও কোপ লাগে।

রক্তাক্ত অবস্থায় দু’জনকে উদ্ধার করে স্থানীয়েরা চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রাহুলের গলায় ১৮টি সেলাই পড়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে চুঁচুড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়। তাঁরা হাসপাতালে গিয়েও আহতদের সঙ্গে কথা বলেন। পাশাপাশি আহতদের পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদেরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

আহত রাহুলের পরিবারের দাবি, পশ্চিম বলাগড়ের বাসিন্দা উত্তম দাস ও শুভ দাসের সঙ্গে রাহুলের পুরনো বিবাদ ছিল। কয়েক দিন আগে রাহুলের দাদার একটি গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করেও দু’পক্ষের মধ্যে বিবাদ তৈরি হয়েছিল। সেই পুরনো বিবাদের জেরেই শনিবার রাতে হামলা চালানো হয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেছেন।

অন্য দিকে, রাহুলের পরিবারের আরও অভিযোগ, অভিযুক্তেরা স্থানীয় বিজেপির কর্মী। যদিও পুলিশের তরফে এই ঘটনায় সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক যোগের কথা জানানো হয়নি। তবে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনায় অভিযুক্ত দুই যুবককে আটক করা হয়েছে। ঠিক কী কারণে হামলা, ঘটনার নেপথ্যে আদৌ পুরনো বিবাদ কি না এবং ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা নিয়ে চুঁচুড়া থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।


Share