Bangladeshi Arrested

সীমান্ত দিয়ে পালাতে গিয়ে মুর্শিদাবাদে ধৃত দুই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, কী কারণে বসবাস, খতিয়ে দেখছে পুলিশ

পুলিশ সূত্রের খবর, জুনাইদ এবং ফাইমুদ্দিন লালগোলা থানা এলাকায় পিড়তলা এলাকায় বসবাস করছিল। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ধৃতে কোনও দালালের মাধ্যমে এ রাজ‍্যে এসে বসবাস শুরু করেছিল।

লালগোলায় ধৃত দুই বাংলাদেশি।
নিজস্ব সংবাদদাতা, লালগোলা
  • শেষ আপডেট: ১৬ আগস্ট ২০২৬ ১১:২২

আবার মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার হল দু’জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী। তাঁদের রবিবার আদালতে হাজির করানো হয়েছে। কী কারণে এ দেশে এসেছিল তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। ধৃতদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট আইনে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। 

ধৃতদের নাম, নয়ন ওরফে জুনাইদ এবং ফাইমুদ্দিন ইসলাম। ধৃত দু’জনই বাংলাদেশের রাজশাহির বাসিন্দা বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। শনিবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মুর্শিদাবাদের লালগোলা সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালায়। পুলিশ সূত্রের খবর, বাংলাদেশের সীমান্ত দিয়ে ওপারে পালানোর চেষ্টা করছিল। তখনই দু’জনকে পুলিশ পাকড়াও করেছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে ফরেনার্স অ‍্যাক্টে মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

পুলিশ সূত্রের খবর, জুনাইদ এবং ফাইমুদ্দিন লালগোলা থানা এলাকায় পিড়তলা এলাকায় বসবাস করছিল। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ধৃতে কোনও দালালের মাধ্যমে এ রাজ‍্যে এসে বসবাস শুরু করেছিল। ধৃতদের কাছ থেকে কী বাজেয়াপ্ত করা হয়ে তা পুলিশ স্পষ্ট করেনি। কীভাবে এবং কেন এ দেশে এসেছিল তা জানতে পুলিশ ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এফআরআরও-র সঙ্গে লালগোলা থানার পুলিশ যোগাযোগ করেছে।

প্রসঙ্গত, রাজ্যে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর পরে মুর্শিদাবাদ জেলায় বিবেচনাধীন তালিকা থেকে সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছিল। ওই জেলায় বিচারাধীন ভোটার সংখ্যা ছিল ১১ লক্ষ এক হাজার ১৪৫ জন। ওই জেলায় বিবেচনাধীন ভোটারদের মধ্যে চার লক্ষ ৫৫ হাজার ১৩৭ জনের নাম বাদ পড়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারির খসড়া ভোটার তালিকায় ওই জেলা থেকে বাদ গিয়েছিল দু’লক্ষ ৯৩ হাজার ৮২২ জনের নাম। বিবেচনাধীনদের হিসাব প্রকাশ্যে আসার পর দেখা যায়, ওই জেলা থেকে বাদ পড়েছে মোট ৭ লক্ষ ৪৮ হাজার ৯৫৯ জনের নাম।

উল্লেখ্য, তবে ক্ষমতায় আসার পরে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিত করতে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁদের গ্রেফতার না করে সরাসরি বাংলাদেশে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। তা নিয়ে সারা রাজ্যে মোট ১০টি জায়গায় ক‍্যাম্প চালু করা হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য ছিল, আগের সরকার এই বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারীদের ‘জামাই আদরে’ রাখত। ভাত-ওষুধ দিত। কিন্তু এ বার আর তা হবে না। সরাসরি ধরে ক‍্যাম্পে রেখে তাঁদের দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন‍্য ব্যবস্থা করতে হবে। 


Share