Eviction

রাস্তা চওড়া ও হাই ড্রেন তৈরির পথে বাধা সরাতে কড়া পদক্ষেপ, শালিমার কয়লা ডিপো এলাকায় বন্দর কর্তৃপক্ষের উচ্ছেদ অভিযান

বন্দর কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে শিবপুর পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। ভবিষ্যতেও এই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চলবে বলে প্রশাসন সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।

বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল অবৈধ নির্মাণ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, শালিমার
  • শেষ আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬ ০২:২৩

ফের শহরে চললো বুলডোজার। হাওড়ার শালিমার কয়লা ডিপো এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। শুক্রবার বন্দর কর্তৃপক্ষ ও শিবপুর পুলিশের যৌথ উদ্যোগে বেআইনি দখলদারি ও নির্মাণ ভাঙতে নামানো হয় বুলডোজ়ার। অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে মোতায়েন ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীও।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়লা ডিপো এলাকায় রাস্তা সম্প্রসারণ এবং হাই ড্রেন নির্মাণের কাজ ভোটের আগে শুরু হলেও তা সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয়নি। নির্বাচন পর্ব শেষ হতেই ফের সেই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। বর্ষার আগেই রাস্তা ও নিকাশি ব্যবস্থার উন্নয়নের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়েছে প্রশাসন।

দীর্ঘদিন ধরে পোর্ট ট্রাস্টের জমিতে একাধিক বেআইনি দোকান ও স্থাপনা গড়ে উঠেছিল বলে অভিযোগ। প্রশাসনের দাবি, রাস্তার দু’ধারে এই দখলদারির ফলে যান চলাচল এবং নিকাশি ব্যবস্থায় সমস্যা তৈরি হচ্ছিল। সেই কারণেই শুক্রবার দু’টি বুলডোজ়ার নামিয়ে রাস্তার দু’পাশের বেআইনি নির্মাণ সরানোর কাজ শুরু হয়। বন্দর কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে শিবপুর পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। ভবিষ্যতেও এই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চলবে বলে প্রশাসন সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।

তবে এই অভিযানে ক্ষোভ ছড়িয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মধ্যে। তাঁদের অভিযোগ, ভোটের সময় রাজনৈতিক নেতারা এলাকায় এসে ভোট চাইলেও তখন বেআইনি দখল নিয়ে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। ভোট শেষ হওয়ার পরেই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হওয়ায় অনেকেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, আগামী নির্বাচনে এই ক্ষোভের প্রতিফলন দেখা যাবে।

উল্লেখ্য, গত মাসেও হাওড়া স্টেশনের বাইরে বড়সড় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছিল। রাতের অভিযানে ফুটপাথের উপর গড়ে ওঠা ১৫০টিরও বেশি দোকান ভেঙে ফেলা হয়। রেল কর্তৃপক্ষের দাবি ছিল, ওই দোকানগুলি অবৈধভাবে নির্মিত হয়েছিল এবং যাত্রীদের সুবিধা ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ করা হয়।


Share