Illegal Slaughtering

স্বাধীনতার দিবসের আগের রাতে গাড়ি করে মাংস পাচারের অভিযোগ, খড়্গপুর থেকে ১৮ জন গ্রেফতার, বাজেয়াপ্ত করে ল‍্যাবে পাঠাল পুলিশ

ঘটনাস্থল থেকে সাতটি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ঘটনায় মোট ১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতেরা খড়্গপুর, শিবপুর, গার্ডেনরিচ এবং মহেশতলার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন‍্যায় সংহিতা, প্রাণীহত‍্যা, এবং পশুর প্রতি নিষ্ঠুরতা প্রতিরোধ আইনের একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

মাংস পাচার করতে গিয়ে গ্রেফতার ১৮ জন।
নিজস্ব সংবাদদাতা, খড়্গপুর
  • শেষ আপডেট: ১৬ আগস্ট ২০২৬ ০৯:৫১

স্বাধীনতা দিবসের আগের রাতে মাংস পাচারের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাতে পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুরে ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনায় ১৮ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পাঁচ টনের বেশি মাংস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। জেলা পুলিশের সুপার পাপিয়া সুলতানা জানিয়েছেন, মাংস গাড়ি করে কলকাতার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

শুক্রবার রাতে পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা এই বিষয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন। তিনি জানান, পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালায়। রূপনারায়ণপুরে গাড়িগুলিকে আটক করা হয়। তাতে তল্লাশি চালিয়ে পাঁচ হাজার ২৮১ কেজি মাংস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। গাড়িতে গোমাংস ছিল কি না তা নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু তিনি জানাননি। মাংস নিয়ে যাওয়ার কোনও বৈধ কাগজপত্র তাঁদের কাছে ছিল না। কোন কসাইখানায় প্রাণীগুলিরে হত‍্যা করা হয়েছে তার কোনও সদুত্তর ধৃতদের কাছ থেকে মেলেনি বলে পুলিশ দাবি করেছে। পুলিশ সুপারের বক্তব্য, পশুচিকিৎসককে দিয়ে তা পরীক্ষা করানো হয়েছে। তাঁর পরামর্শে মাংসগুলি ল‍্যাবে পরীক্ষার জন‍্য পাঠানো হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে সাতটি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ঘটনায় মোট ১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতেরা খড়্গপুর, শিবপুর, গার্ডেনরিচ এবং মহেশতলার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন‍্যায় সংহিতা, প্রাণীহত‍্যা, এবং পশুর প্রতি নিষ্ঠুরতা প্রতিরোধ আইনের একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। শনিবার তাঁদের আদালতে হাজির করানো হয়েছে।

পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা বলেন, “কোনও ভাবেই বেআইনি কসাইখানা বরদাস্ত করা হবে না। আইনে যা আছে তা মেনে পুলিশ কাজ করবে। ধৃতদের পরিচয় প্রকাশ্যে আনলে তদন্ত ব‍্যহত হতে পারে। তবে কোথা থেকে এই বিপুল পরিমাণ মাংস কোথা থেকে আনা হয়েছে তা প্রাথমিক ভাবে চিহ্নিত করা গিয়েছে।”


Share