Murder Case

সোদপুরে প্রকাশ্য রাস্তায় প্রেমিকাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ, হাসপাতালে মৃত্যু মহিলার, আত্মহত্যার চেষ্টা অভিযুক্তের

উত্তর ২৪ পরগনার সোদপুরে প্রকাশ্য রাস্তায় প্রেমিকাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে প্রেমিকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অভিযুক্ত প্রেমিক নিজের শরীরেও ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে গীতা দাসের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, সোদপুর
  • শেষ আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬ ০৫:০৩

উত্তর ২৪ পরগনার সোদপুরে বুধবার সকালে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাক্ষী থাকল এলাকা। প্রকাশ্য রাস্তায় এক মহিলাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। ঘটনার অভিযোগ উঠেছে তাঁর পরিচিত এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলেই মহিলার মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে। এরপর অভিযুক্ত নিজেকেও ছুরি মেরে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃতার নাম গীতা দাস (৪০)। অভিযুক্ত সুভাষ দাস (৪৫)। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, দু'জনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বুধবার সকালে সোদপুরের ফিউচার গেট এলাকার সামনে আচমকাই গীতা দাসের উপর সুভাষ ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান। একের পর এক আঘাতে ওই মহিলা রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন।

স্থানীয়দের চিৎকারে আশপাশের মানুষ ছুটে আসেন। অভিযুক্তকে আটকানোর চেষ্টা করা হয়। অভিযোগ, সেই সময় তাঁদের উপরও সুভাষ হামলা চালানোর চেষ্টা করেন। পরে তিনি নিজের শরীরেও ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। স্থানীয়দের উদ্যোগে তাঁকে ঘটনাস্থল থেকেই গীতা দাসের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এক স্থানীয় বাসিন্দার কথায়, সকালে চা খেতে বেরিয়ে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় এক মহিলাকে পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁর দাবি, মহিলাকে আঘাত করার পর অভিযুক্ত নিজেকেও ছুরি মারে। তাঁদের দু'জনকেই এলাকার বাসিন্দা বলে মনে হয়নি।

আরও এক স্থানীয়ের দাবি, ঘটনাস্থলের পাশেই একটি পুকুর রয়েছে, যেখানে প্রায়ই যুবক-যুবতীদের আড্ডা ও নেশা করতে দেখা যায়। আগের দিনও সেখানে এক যুবক-যুবতীর মধ্যে অশান্তি হয়েছিল বলে তিনি জানান। এমন ঘটনা বন্ধ হওয়া প্রয়োজন বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।

ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কী কারণে এই হামলা, তার নেপথ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন ছিল কি না, তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। পাশাপাশি ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।


Share