Post Poll Violence

স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষের মুখে এ বার জঙ্গিপুরে লেনিনের মূর্তি, উপড়ে ফেলে দিল স্থানীয় বাসিন্দারা

বিজেপির বিরুদ্ধে ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। দল অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছে।

ভেঙে ফেলা হল লেনিনের মূর্তি।
নিজস্ব সংবাদদাতা, মুর্শিদাবাদ
  • শেষ আপডেট: ০৬ মে ২০২৬ ১২:০৫

স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষের মুখে এ বার লেনিনের মূর্তি। মুর্শিদাবাদের লেনিনের মূর্তি স্থানীয় বাসিন্দারা ভেঙে ফেলেছে। জঙ্গিপুর পুরসভা এলাকার শ্রীপৎ সিংহ কলেজ মোড়ে সামনে ছিল। মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে। কয়েক জন স্থানীয়দের বিরুদ্ধে মূর্তি ভাঙার অভিযোগ উঠেছে।

রাজ‍্যে ২০৭টি আসন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। রাজ‍্যের মানুষ দলেদলে বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। তার পর থেকে স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষ দেখা দিয়েছে। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার রাতেই কয়েক জন স্থানীয় সেখানে এসে মূর্তিটি ভেঙে দেয়। সেই সময়, ‘সিপিএমের সময় তাঁরা অনেক অত‍্যাচার করেছে’ বলেও স্লোগান শোনা যায়। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, সদ্য শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে জঙ্গিপুর কেন্দ্রটি বিজেপি দখল করে নিয়েছে। বিজেপির নেতা চিত্ত মুখোপাধ্যায় এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন। পরাজিত হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী জাকির হোসেন। রাজ্যজুড়ে বিজেপির গেরুয়া ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তার পর থেকেই স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষ দেখা গিয়েছে। একাধিক তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়েছে।

তবে বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য মনোজ সরকার জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই। তিনি বলেন, “এমন কাজ কোনও ভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।” একই সুরে বিজেপি নেতা শঙ্কর মণ্ডল জানান, “মতাদর্শের বিরোধিতা থাকতেই পারে, কিন্তু কোনও মূর্তি ভাঙা গ্রহণযোগ্য নয়।“

অন্য দিকে, কলকাতার মানিকতলা এলাকার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডেও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। সেখানে মানিকতলার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সাধন পাণ্ডের মূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে বলে দাবি উঠেছে। দুই জায়গার ঘটনাই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। প্রশাসনের তরফে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।


Share