Holding Centre

ভোটার কার্ড-আধার নিয়েও শেষ রক্ষা নয়! বাংলাদেশে ফেরার অপেক্ষায় স্বরূপনগরের হোল্ডিং সেন্টারে অনুপ্রবেশকারীরা

মঙ্গলবার সীমান্তে জড়ো হওয়া বাংলাদেশিদেরও রাতেই ওই সেন্টারগুলিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কয়েকজনকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো গেলেও, বিকেলের পর আর কাউকে পাঠানো সম্ভব হয়নি।

হাকিমপুরে অপেক্ষারত বাংলাদেশীরা
নিজস্ব সংবাদদাতা, হাকিমপুর
  • শেষ আপডেট: ২৮ মে ২০২৬ ০২:০৪

বাংলাদেশে ফেরার আশায় সীমান্তে জড়ো হওয়া অনুপ্রবেশকারীদের প্রশাসনের তরফে নিয়ে যাওয়া হল হোল্ডিং ক্যাম্পে। মঙ্গলবারের পর বুধবারও সকাল থেকেই স্বরূপনগরের হাকিমপুর সীমান্ত এলাকায় অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভিড় দেখা যায়। সেদিন প্রায় ৮০ জন অনুপ্রবেশকারী হাকিমপুর সীমান্তের চেকপোস্টে পৌঁছোন। তবে কাউকেই এ দিন সীমান্ত পার হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। পরে বিকেলের দিকে পুলিশ ও প্রশাসনের উদ্যোগে তাঁদের হোল্ডিং সেন্টারে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বরূপনগরে তেঁতুলিয়া পথের সাথী, মেদিয়া এবং চারঘাট এই তিন জায়গায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। মঙ্গলবার সীমান্তে জড়ো হওয়া বাংলাদেশিদেরও রাতেই ওই সেন্টারগুলিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কয়েকজনকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো গেলেও, বিকেলের পর আর কাউকে পাঠানো সম্ভব হয়নি।

পরিস্থিতি নিয়ে বিএসএফ এবং বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির মধ্যে ফ্ল্যাগ মিটিং হওয়ার কথা রয়েছে। সেই বৈঠকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। এরপর ধাপে ধাপে হোল্ডিং সেন্টারে থাকা ব্যক্তিদের ফেরত পাঠানো হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

এ দিন স্বরূপনগরের একটি হোল্ডিং সেন্টারে বসে রিপা বিবি নামে এক মহিলা জানান, বহু বছর আগে তিনি বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসেছিলেন। তাঁর কথায়, “এখানে এসে ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, রেশন কার্ড সবই করেছিলাম। দু’বার ভোটও দিয়েছি। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধাও পেয়েছি। কিন্তু এ বার ভোট দিতে পারিনি। এখন পুলিশ বলছে এখানে আর থাকা যাবে না। তাই স্বামী ও দুই ছেলেকে নিয়ে দেশে ফিরে যাচ্ছি।”


Share