Baruipur Incident

‘বেআইনি মদের ঠেক উপড়ে ফেলতে হবে,’ আগামী দু’সপ্তাহ রাজ‍্য জুড়ে বিশেষ অভিযান চালাতে ডিজিকে নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

শনিবার শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “সীমান্তবর্তী এলাকায় তো এসটিএফ প্রতিদিন রেকি করে মাদক ধরছে। রেল স্টেশন, বাসস্ট্যান্ডে অভিযান চালাচ্ছে। কিন্তু গোটা রাজ‍্যের গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে থাকা বেআইনি মদের কারবার, গাঁজার ঠেক যাতে সম্পূর্ণ ভাবে উপড়ে ফেলা যায় তার জন‍্য অভিযান চালাতে হবে। এটা করেই সমাজিক দুষণ থেকে পরিবেশকে বাঁচাতে পারি।”

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
নিজস্ব সংবাদদাতা, বারুইপুর
  • শেষ আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬ ০৫:১৮

গোটা রাজ‍্যে বেআইনি মদ এবং গাঁজার ঠেক উপড়ে ফেলতে পুলিশকে নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি মনে করেন, বারুইপুরের ঘটনার নেপথ্যে বেআইনি মদের ঠেকগুলির ভূমিকা রয়েছে। শুধু জনবহুল এলাকা নয়, গ্রামগঞ্জেও এই অভিযান চালাতে হবে। আগামী দু’সপ্তাহ এই অভিযান চালিয়ে এই ঠেকগুলিকে ভাঙতে হবে বলে রাজ‍্য পুলিশের ডিজিকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। কোথাও যদি এমন বেআইনি ঠেকের হদিশ পাওয়া যায় তাহলে তা পুলিশকে জানাতে জনসাধারণের কাছে আবেদন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

শনিবার সকালে বারুইপুরের সূর্যপুরের পৌঁছে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সূর্যপুরে পুলিশ ফাঁড়ির উদ্বোধন করেন। নিহত নির্যাতিতা এবং ইন্দ্রজিৎ মন্ডলের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন। বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “সব ঘটনার পিছনে কার্য এবং কারণ রয়েছে। আমি মনে করি, এই অপরাধের নেপথ্যে বেআইনি মদের ঠেক, গাঁজা, চরস, মাদকের বড় ভূমিকা রয়েছে। রাজ্যে কোথাও কোনও বেআইনি ঠেকের হদিশ পেলে তা অবিলম্বে পুলিশকে জানান।”

পুলিশ সূত্রে আগেই জানা গিয়েছিল, কিশোরীর ধর্ষণ ও খুনের মামলায় ধৃতেরা মাদকাসক্ত ছিলেন। শনিবার বারুইপুরের সেই ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে রাজ্যে এই সমস্ত বেআইনি মদ-গাঁজার ঠেক মূল থেকে উপড়ে ফেলার ডাক দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত, প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের আইজি কঙ্করপ্রসাদ বারুই এবং জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্তারা।

রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী দু’সপ্তাহ মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, থানার পুলিশ আধিকারিকেরা অনেক কাজ করে থাকেন। মূলত এই সমস্ত অভিযান থানার আধিকারিকেরা করে থাকেন। তাই এ ক্ষেত্রে ব‍্যাটেলিয়নে কর্মরত পুলিশকর্মীদের কাজে লাগাতে হবে। ব‍্যাটেলিয়নের কমান্ডিং আধিকারিককে একটি করে জেলার দায়িত্ব দিতে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন।

শনিবার শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “সীমান্তবর্তী এলাকায় তো এসটিএফ প্রতিদিন রেকি করে মাদক ধরছে। রেল স্টেশন, বাসস্ট্যান্ডে অভিযান চালাচ্ছে। কিন্তু গোটা রাজ‍্যের গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে থাকা বেআইনি মদের কারবার, গাঁজার ঠেক যাতে সম্পূর্ণ ভাবে উপড়ে ফেলা যায় তার জন‍্য অভিযান চালাতে হবে। এটা করেই সমাজিক দুষণ থেকে পরিবেশকে বাঁচাতে পারি।”


Share