TMC Leader

পূর্ব মেদিনীপুরে তৃণমূল নেতার গুদাম থেকে উদ্ধার সরকারি ত্রাণসামগ্রী, তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র কটাক্ষ বিজেপি বিধায়কের

দিব্যেন্দু অধিকারী ২০২১ সালের কাঁথি পুরসভার ত্রিপল চুরির ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তখন শুভেন্দু অধিকারী ও তাঁর পরিবারকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছিল।

উদ্ধার হওয়া সামগ্রী।
নিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব মেদিনীপুর
  • শেষ আপডেট: ২৭ মে ২০২৬ ০১:৫২

রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠন করেছে। তারপর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। এবার ত্রাণ সামগ্রী চুরির অভিযোগ থেকেও রেহাই মিলল না। পূর্ব মেদিনীপুরে ফের সরকারি ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের এক নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

 স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া সামগ্রীগুলি ব্রজলালচক অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি নবকুমার বেরার ব্যক্তিগত গুদাম থেকে পাওয়া যায়। অভিযোগ, সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ সরকারি ত্রাণসামগ্রী চুরি করে সেখানে মজুত করে রাখা হয়েছিল। মঙ্গলবার রাতে চণ্ডীপুর থানার ব্রজলালচক এলাকায় পুলিশি অভিযান চালানো হয়। প্রায় ৬০০টি সরকারি লোগো লাগানো ত্রিপল-সহ একাধিক সামগ্রী উদ্ধার করে। ঘটনায় বিজেপির বিধায়ক দিব্যেন্দু অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করেন।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেন বিজেপি বিধায়ক দিব্যেন্দু অধিকারী। তিনি ২০২১ সালের কাঁথি পুরসভার ত্রিপল চুরির ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তখন শুভেন্দু অধিকারী ও তাঁর পরিবারকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। অথচ এখন যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে, তারা নিজেরাই তৃণমূলের নেতা। তাঁর কথায়, “এতে স্পষ্ট হচ্ছে কারা আসলে সরকারি সামগ্রী আত্মসাৎ করত।”এই ধরনের ঘটনায় প্রশাসনের কড়া তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি দাবি করেন।

পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। উদ্ধার হওয়া সামগ্রী কোথা থেকে আনা হয়েছিল। এর সঙ্গে আর কারা জড়িত। গোটা বিষয়টি তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এই ঘটনা নিয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


Share