Arrest TMC Leader

গাড়িতে তল্লাশি, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র! বেআইনি অস্ত্র রাখার অভিযোগে গ্রেফতার প্রাক্তন বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস

পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বিশ্বজিতের গাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকেই একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশের দাবি। বেআইনি ভাবে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, গোপালনগর
  • শেষ আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৮:৫৩

আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের অভিযোগে গ্রেফতার হলেন প্রাক্তন বিধায়ক তথা উত্তর ২৪ পরগনার প্রাক্তন জেলা তৃণমূল সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস। সোমবার দুপুরে গোপালনগর বাজার এলাকা থেকে গোপালনগর থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বিশ্বজিতের গাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকেই একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশের দাবি। বেআইনি ভাবে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বিশ্বজিৎ বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রের দু’বারের বিধায়ক ছিলেন। প্রথমে তৃণমূলের বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হলেও ২০২১ সালে বিজেপির প্রার্থী হয়ে ভোটে জেতেন। বিধায়ক হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই ফের তৃণমূলে ফিরে আসেন। ২০২৪ সালে তাঁকে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতির দায়িত্ব দেয় তৃণমূল। ওই বছরই লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের হয়ে লড়াই করার জন্য বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন বিশ্বজিৎ। তবে লোকসভা ভোটে পরাজিত হন। পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনেও তৃণমূল তাঁকে প্রার্থী করেছিল। সেই ভোটে বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনিয়ার কাছে হারেন তিনি।

বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর তৃণমূলের সঙ্গে বিশ্বজিতের দূরত্ব তৈরি হয়। সম্প্রতি বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তিনি দেখা করেন। সাক্ষাতের পর ঋতব্রতকে ‘আমার নেতা’ বলেও সম্বোধন করেছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক। তাঁর গ্রেফতারি নিয়ে হাবড়ার বিজেপি বিধায়ক দেবদাস মণ্ডল বলেন, ‘‘আরও আগে গ্রেফতার হওয়া উচিত ছিল ওর। দেরি হয়েছে।’’ বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন এক কাউন্সিলরের অভিযোগ, বিধায়ক ও জেলা সভাপতি থাকাকালীন বিশ্বজিৎ বহু মানুষকে অত্যাচার করেছেন এবং ‘বোমা-গুলির রাজনীতি’ করতেন।

বিশ্বজিতের গ্রেফতারি নিয়ে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। বনগাঁ পুলিশ জেলার সুপার বিদিশা কলিতা দাশগুপ্ত বলেন, ‘‘অভিযোগের ভিত্তিতে ওঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।’’


Share