Bangladeshi

নদিয়ার হাঁসখালিতে গ্রেফতার দুই বৃহন্নল‍া-সহ পাঁচ‍ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, পাঠানো হল হোল্ডিং সেন্টারে, প্রত‍্যার্পণের প্রক্রিয়া শুরু

ধৃতদের নাম নাহিদা বেগম, আশা, শিলা আক্তার, রিতা মোল্লা, এবং মহম্মদ রাসেল মিয়া। ধৃতরা বাংলাদেশের খুলনা, আশুলিয়া, ময়মনসিংহ, কুতুবলি, অভয়নগর, এবং মহেশপুর এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।

হাঁসখালিতে ধৃত বাংলাদেশি।
নিজস্ব সংবাদদাতা, হাঁসখালি
  • শেষ আপডেট: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:৩৪

আবার নদিয়ার হাঁসখালি থেকে পাঁচ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেফতার করল পুলিশ। তাদের হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য প্রত‍্যার্পণ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে দু’জন বৃহন্নলা রয়েছে।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নদিয়ার হাঁসখালির উমরপুর এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে পাঁচ জনকে পুলিশ আটক করে। পুলিশ সূত্রের খবর, তাঁদের মধ্যে তাদের মধ্যে দু’জন মহিলা দু’জন বৃহন্নলা বা তৃতীয় লিঙ্গের এবং একজন পুরুষ রয়েছেন। ধৃতদের নাম নাহিদা বেগম, আশা, শিলা আক্তার, রিতা মোল্লা, এবং মহম্মদ রাসেল মিয়া। ধৃতরা বাংলাদেশের খুলনা, আশুলিয়া, ময়মনসিংহ, কুতুবলি, অভয়নগর, এবং মহেশপুর এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।

তাঁদের কাছ থেকে ভারতে প্রবেশ করার বৈধ কেনও নথিপত্র মেলেনি। সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে বেআইনি ভাবে এ দেশে প্রবেশ করেছিল। তাঁদের গ্রেফতার করে হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশে পুনরায় ফেরত পাঠানোর জন‍্য ফরেন রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

গত রবিবার হাঁসখালি থানার পুলিশের হেফাজত থেকে ধৃত বাংলাদেশি যুবক পালিয়ে যায়। পলাতক আসামির নাম বিল্লাল হোসেন (১৯)। যুবক বাংলাদেশের নাগরিক। ভারতে অবৈধ ভাবে সীমান্ত পার করে এসেছিল। নদিয়ার হাঁসখালি এলাকায় বসবাস করছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে পুলিশ বিল্লালকে গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে ভারতে প্রবেশ করার বৈধ কোনও কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। তার পরেই বিল্লালকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। কিন্তু ওই দিন হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন‍্য নিয়ে এলে শৌচাগারে যাওয়ার নাম করে বগুলা গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়। সেই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।


Share