Monjinis Rotten Burger

ছত্রাক মিশ্রিত বার্গার বিক্রির অভিযোগ উত্তরপাড়ায় ‘মনজিনিস’ স্টোরের বিরুদ্ধে, খাবারের গুণমান নিয়ে উঠছে প্রশ্ন, খাদ্য সুরক্ষা দফতরকে ইমেল দমকলকর্মীর

অভিযোগ, মেয়াদ থাকা সত্ত্বেও ওই বার্গারে ছত্রাক দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে ই-মেল করে অভিযোগ জানিয়েছেন ক্রেতা।

খাদ‍্য সুরক্ষা দফতরকে ইমেল গ্রাহকের
নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তরপাড়া
  • শেষ আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১:৩২

এ বার পচা খাবার বিক্রির অভিযোগ উঠল মনজিনিসের বিরুদ্ধে। এক ক্রেতা খাবারের ছবি দিয়ে মনজিনিস কর্তৃপক্ষ এবং খাদ্য সুরক্ষা দফতরকে ছবি-সহ বিষয়টি জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, খাতায়-কলমে খাবারটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়নি। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, খাবারে ছত্রাক জন্ম নিয়েছে। কলকাতায় ছোট থেকে বড় রেস্তোরাঁয় অভিযান চালালেও জেলার যে চিত্রটা যে ভিন্ন তা আবার উঠে এল। তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে ‘মনজিনিস’-এর খাবারের মান ও সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। 

অভিযোগকারীর নাম স্নেহাশিস হাজরা, তিনি হাওড়ার বেলানগরের বাসিন্দা। স্নেহাশিসবাবু পেশায় একজন দমকল বিভাগের কর্মী। তাঁর বক্তব্য, ছেলে স্কুলে যেতে চাইছিল না। তিনি ছেলেকে স্কুলে পাঠাবেন বলে বার্গার কিনে দেবেন বলেন। স্নেহাশিসবাবু ছেলেকে স্কুলে পাঠানোর জন্য উত্তরপাড়ার শখের বাজারের একটি মনজিনিস স্টোর থেকে একটি বার্গার কেনেন।

তাঁর দাবি, বার্গারটি গত ৯ সেপ্টেম্বর প্যাকেট করা হয়েছিল। উৎপাদনের তারিখ হিসেবে তাতে লেখা ছিল। পাশাপাশি, ১০ সেপ্টেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত বার্গারটি খাওয়ার উপযোগী বলে উল্লেখ ছিল। কিন্তু পরের দিন প্যাকেট খোলার পরই বার্গারের মধ্যে ছত্রাক দেখতে পান স্নেহাশিসবাবু। তাঁর বক্তব্য, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই কীভাবে খাবারে ছত্রাক জন্মে গেল। তাঁর সন্দেহ, বার্গারটি যদি একদিন আগে তৈরি করা হত, তাতে কোনও ভাবেই ছত্রাক জন্মাত না। প‍্যাকেটের গায়ে যে তারিখ লেখা ছিল তা একেবারেই মিথ্যে বলে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন।

দমকলকর্মী স্নেহাশিসবাবুর দাবি, খাবারটি কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছিল, প্যাকেটের উৎপাদনের তারিখ ঠিক রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। যদিও খাবারটি পুরনো এবং নতুন তারিখ দিয়ে বিক্রি করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে ‘মনজিনিস’ কর্তৃপক্ষ এখনও তা স্পষ্ট করেনি। তিনি বার্গারটির ছবি তুলে খাদ‍্য সুরক্ষা দফতরকে ইমেল করেছেন। 

অন‍্য দিকে, কলকাতায় খাদ্য সুরক্ষা নিয়ে অভিযান চালিয়েছে পুরসভা। কলকাতায় ৪০টি রেস্তোরাঁর লাইসেন্স আপাতত স্থগিত রেখেছে। তবে গোটা হুগলি জেলায় নিয়ম না মানার অভিযোগে মাত্র ১১টি দোকান ও কারখানা বন্ধ করা হয়েছে। যা কলকাতার তুলনায় অনেকটাই কম। তার মধ্যেই নামী সংস্থার প্যাকেটজাত খাবারে ছত্রাকের থাকার অভিযোগ সামনে এসেছে। তবে জেলায় খাদ্য সুরক্ষা দফতরের নজরদারি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।


Share