TMC-BJP Clash

বিজেপি-তৃণমূলের সংঘর্ষে উত্তপ্ত শেওড়াফুলি, বিরোধী দলের কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ, তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের

সংঘর্ষের ঘটনায় এক বিজেপি কর্মী জখম হয়েছেন। নাকে গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে শ্রীরামপুর ওয়ালস হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। আপাতত তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, শ্রীরামপুর
  • শেষ আপডেট: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:১৯

তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হুগলির শেওড়াফুলি। সেখানে এক বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। থানায় স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এমনকী, বিজেপি কর্মীকে গুলি করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। জখম বিজেপি কর্মী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তৃণমূল কাউন্সিলর যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

বৈদ্যবাটি পুরসভার শেওড়াফুলি ২০ নম্বর ওয়ার্ডের দিল্লি রোড সংলগ্ন একটি কেমিক‍্যাল কারখানার কাছে ঘটনাটি ঘটেছে। বিজেপি কর্মীর দাবি, গোবিন্দ কলোনি এলাকায় ওই কারখানায় দিয়ে বিষাক্ত ধোঁয়া বেরাতে দেখা যায়। গতকাল রাতে তা দেখতে বিজেপির কর্মীরা দেখতে যায়। অভিযোগ, সেই সময় বৈদ‍্যবাটি পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃনমুলের কাউন্সিলর হরিপদ পাল তাঁর দলবল নিয়ে বিজেপি কর্মিদের ওপর হামলা চালায়।

যদিও তৃণমূল কাউন্সিলর হরিপদ পাল যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। পাল্টা তার অভিযোগ, বিজেপির কর্মীরা তৃণমূলের দেওয়াল দখল করছিল। তারই প্রতিবাদ তৃনমূল কর্মীরা করেছেন। তৃণমূল

কাউন্সিলর হরিপদ বলেন, “ঝামেলার হচ্ছে শুনে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি, বিজেপির কর্মীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি হয়েছে।” তাঁর দাবি, “বিজেপি কর্মীরা রাধাগোবিন্দ কলোনী এলাকায় গিয়ে ঝামেলা করছিলেন। সেখানে সাংসদ কল‍্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়েপ নামে দেওয়াল লেখা ছিল। তার ওপর তাঁরা বিজেপি পোস্টার মেরে দেয়। সেটা তুলে নিয়ে বলা হয়েছিল ওরা শোনেনি।”

সংঘর্ষের ঘটনায় এক বিজেপি কর্মী জখম হয়েছেন। নাকে গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে শ্রীরামপুর ওয়ালস হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। আপাতত তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বর্তমানে ওই বিজেপি কর্মীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেই হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। এক তৃণমূল কর্মীও জখম হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

স্থানীয় বিজেপি নেতা অমানিশ আইয়ার বলেন, “তৃণমূল কাউন্সিলর হরিপদ পাল বলেছে, ‘দানা’ ভরে দেবে। শেওড়াফুলিতে এই রাজনীতি ছিল না। আমরাও এর শেষ দেখে ছাড়ব।” ঘটনায় শ্রীরামপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।


Share