Scam of Paramedical

প‍্যারামেডিকেল কোর্সের নামে ভোকেশনাল ট্রেনিং, নেওয়া হয়েছে লক্ষাধিক টাকা, প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার সাত জন

আদালতে তোলা হলে বিচারক অভিযুক্তদের জামিন মঞ্জুর করেননি। সংস্থার তিন ডিরেক্টর, অধ্যক্ষ এবং দুই মহিলা কর্মী-সহ সাতজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দুই মহিলাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজত ও বাকিদের তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি
  • শেষ আপডেট: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:২৪

ফের শিলিগুড়িতে একটি প্যারামেডিকেল প্রশিক্ষণ সংস্থার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ সামনে এসেছে। ঘটনায় দুই মহিলা-সহ মোট সাতজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে সংস্থার তরফে দাবি, অভিযোগের নেপথ্যে উস্কানি থাকতে পারে। গ্রেফতারের প্রতিবাদে কিছু ছাত্রী শিলিগুড়ি মহকুমা আদালত চত্বরে বিক্ষোভও দেখান।

ধৃতদের আদালতে হাজির করানো হয়। বিচারক অভিযুক্ত সংস্থার তিন ডিরেক্টর, অধ্যক্ষ এবং দুই মহিলা কর্মী-সহ সাতজনের জামিন মঞ্জুর করেননি। দুই মহিলাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজত ও বাকিদের তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতার দুই মহিলার একজন রিসেপশনিস্ট ও অন্যজন অফিস অ্যাডমিন হিসেবে কাজ করতেন।

দার্জিলিং-এর বাসিন্দা ছাত্রী ইয়েলডেন ছেত্রী অভিযোগ করেন, তাঁদের প্যারামেডিকেল কোর্সের কথা বলে ভর্তি নেওয়া হলেও নথিতে ভোকেশনাল কোর্সের উল্লেখ ছিল। তাঁর প্রশ্ন, ভোকেশনাল কোর্সের জন্য এত টাকা কেন নেওয়া হবে।

শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেট-এর ডিসি রাকেশ জানান, ‘একটি অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। প্রাথমিক তদন্তে ওই সংস্থা পর্যাপ্ত নথি দেখাতে পারেনি। সেই কারণেই গ্রেফতার করে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।’ সরকারি আইনজীবী সুশান্ত নিয়োগী বলেন, ‘সংস্থাটি প্যারামেডিকেল কোর্সের নামে ভর্তি করিয়ে ভোকেশনাল ট্রেনিং করিয়ে যাচ্ছিল, এমন অভিযোগ দায়ের হয়েছে।’

অন্যদিকে, প্রায় ৩০-৩৫ জন ছাত্রী আদালত চত্বরে এসে সংস্থার পক্ষে অবস্থান নেন। ছাত্রী সোনিয়া মণ্ডল দাবি করেন, অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং কিছু বহিরাগত ছাত্রীর কারণে সমস্যা তৈরি হয়েছে। তাঁর কথায়, তাঁরা ভোকেশনাল ট্রেনিংয়ের জন্যই ভর্তি হয়েছিলেন।

আরেক ছাত্রী পুতুল সাহা জানান, ভোকেশনাল কোর্সের মাধ্যমে বেসরকারি সংস্থায় চাকরির সুযোগের কথা বলা হয়েছিল এবং অনেকেই ইতিমধ্যে কাজও পেয়েছেন। লিগুড়ির একটি সংস্থার বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনায় ঝাপ বন্ধ হয়েছে ওই সংস্থার। সেই সংস্থার ছাত্রীরা আন্দোলন করছেন। তাঁদের প্ররোচনায় পা দিয়ে আমাদের সংস্থার কয়েকজন ছাত্রী এই ধরনের অভিযোগে শামিল হয়েছে।'


Share