Malda Flood

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ভূতনীর বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শন করলেন রাজ‍্যের তিন মন্ত্রী, স্থায়ী বাঁধের আশ্বাস

সোমবার ভূতনীর বিভিন্ন প্লাবিত এলাকা ঘুরে দেখেন জনশিক্ষা প্রসার ও লাইব্রেরি দফতরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ, আইন বিভাগ ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী রিরাজ বিশ্বাস এবং সেচ প্রতিমন্ত্রী জোয়েল মুর্মু।

মালদহের বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন তিন মন্ত্রী।
নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদহ
  • শেষ আপডেট: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০২:২৪

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে মালদহের মানিকচকের ভূতনীর বন্যা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করলেন রাজ্যের তিন মন্ত্রী। সোমবার ভূতনীর বিভিন্ন প্লাবিত এলাকা ঘুরে দেখেন জনশিক্ষা প্রসার ও লাইব্রেরি দফতরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ, আইন বিভাগ ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী রিরাজ বিশ্বাস এবং সেচ প্রতিমন্ত্রী জোয়েল মুর্মু। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন মালদহের জেলাশাসক রাজেনবীর সিং কপূর, মানিকচকের বিধায়ক গৌড়চন্দ্র ঘোষ-সহ প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকেরা।

এ দিন তিন মন্ত্রী ভূতনীর বিভিন্ন প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনের পাশাপাশি গঙ্গা ভাঙনের পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখেন। কথা বলেন বন্যাদুর্গত বাসিন্দাদের সঙ্গে। তাঁদের সমস্যার কথা শোনার পর দুর্গতদের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। মন্ত্রীরা প্রশাসনিক আধিকারিকদের সমস্ত দুর্গত মানুষের কাছে পর্যাপ্ত ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশও দেন মন্ত্রীরা।

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ জানান, এই মুহূর্তে বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন দেওয়া সম্ভব নয়। আপাতত সরকারের প্রধান লক্ষ্য হল দুর্গত প্রতিটি মানুষের কাছে পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর আগামী শুখা মরশুমে ভূতনী এলাকায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করার আশ্বাসও দেন তিনি।

মন্ত্রী জানান, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে গঙ্গা ভাঙন ও বন্যার সমস্যা দীর্ঘমেয়াদে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি বন্যা ও ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের বিষয়টিও পরবর্তীতে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। তিন মন্ত্রীর এই পরিদর্শনে কিছুটা হলেও আশ্বস্ত হয়েছেন ভূতনীর বানভাসি বাসিন্দারা।


Share