Mysterious Death

তিনতলা বাড়ি থেকে পচাগলা ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার! আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত খুন? নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি স্থানীয়দের

পরে খোঁজাখুঁজির সময় বাড়ির তৃতীয় তলায় অরুণ হালদারের পচাগলা দেহ ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদহ
  • শেষ আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬ ০৬:৪১

মালদহ শহরের বাশুল্লিতলা এলাকায় তিনতলা বাড়ি থেকে এক ব্যক্তির পচাগলা ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের। এটি আত্মহত্যা নাকি খুন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের একাংশ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় ওই বাড়ি থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বেরোতে শুরু করলে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে খোঁজাখুঁজির সময় বাড়ির তৃতীয় তলায় অরুণ হালদারের পচাগলা দেহ ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

স্থানীয়দের দাবি, ওই বাড়িতে দুই ভাই থাকতেন। তৃতীয় তলায় থাকতেন অরুণ হালদার এবং নিচের তলাগুলিতে থাকতেন তাঁর ছোট ভাই অশোক হালদার। প্রতিবেশীদের অভিযোগ, কিছুদিন আগে অরুণ হালদারের সম্পত্তি তাঁর ভাইয়ের নামে লিখে নেওয়া হয়েছিল। অবিবাহিত অরুণ পেশায় সোনার দোকানের কারিগর ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন এবং তাঁর দেখাশোনার দায়িত্ব ছিল ভাইয়ের পরিবারের উপর। তবে তাঁর সঙ্গে অমানবিক আচরণ করা হতো বলেও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন প্রতিবেশী।

স্থানীয়দের আরও দাবি, দেহটি অন্তত দু'দিন ধরে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকলেও বিষয়টি কাউকে জানানো হয়নি। তাই এই মৃত্যু ঘিরে তাঁদের সন্দেহ তৈরি হয়েছে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ পুলিশি তদন্তের দাবি তুলেছেন তাঁরা।

অন্য দিকে, মৃতের ভাগ্নে সুব্রত দাস খুনের আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে বলেন, তাঁর মামা দীর্ঘদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। তাঁর অনুমান, অরুণ হালদার আত্মহত্যা করেছেন। তবে প্রকৃত ঘটনা জানতে পুলিশের তদন্ত ও ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনিও।


Share