Police Inspector Death

পুজোর ছুটিতে বাড়ি ফিরেছিলেন পুলিশ ইন্সপেক্টর, জলপাইগুড়িতে উদ্ধার ঝুলন্ত দেহ! তদন্তে পুলিশ

পুজোর ছুটিতে বাড়ি ফিরে জলপাইগুড়িতে পুলিশ ইন্সপেক্টর সৌরভ চক্রবর্তীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় তদন্তকারীরা।

মৃতের নাম সৌরভ চক্রবর্তী।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৯ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:০০

পুজোর আগে ছুটি নিয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর কথা ছিল তাঁর। কিন্তু সেই বাড়ি থেকেই উদ্ধার হল পুলিশ ইন্সপেক্টর সৌরভ চক্রবর্তীর ঝুলন্ত দেহ। জলপাইগুড়ির এই ঘটনায় রহস্য দানা বেঁধেছে। ৪৮ বছর বয়সি ওই পুলিশ আধিকারিকের মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনাস্থল থেকে কোনও সুইসাইড নোটও উদ্ধার হয়নি। ফলে মৃত্যুর নেপথ্যে ঠিক কী কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

সৌরভ চক্রবর্তী আলিপুরদুয়ার জেলায় পুলিশ ইন্সপেক্টর পদে কর্মরত ছিলেন। কাজের সূত্রে তাঁকে আলিপুরদুয়ারে থাকতে হত। অন্যদিকে, তাঁর স্ত্রী ও সন্তান-সহ পরিবারের সদস্যরা থাকতেন জলপাইগুড়িতে। পুজোর আগে ছুটি পেয়ে সম্প্রতি নিজের বাড়িতে ফিরেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই ছুটির মধ্যেই ঘটে যায় এই মর্মান্তিক ঘটনা।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতো বুধবার সকালে ঘুম থেকে উঠে চা খেয়েছিলেন সৌরভ। এরপরই পরিবারের সদস্যরা তাঁকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। সেখান থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, কয়েক মাস আগে একটি পথ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন সৌরভ। সেই ঘটনার পর থেকে তিনি মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার পরবর্তী পরিস্থিতির সঙ্গে তাঁর মৃত্যুর কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে অবসাদের কথা উঠে এলেও, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত নয় তদন্তকারীরা।

ঘটনায় জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু হয়েছে। জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করছে পুলিশ।

সৌরভের আত্মীয় পল্টন কর্মকার বলেন, “আমার ভাগ্না আত্মহত্যা করেছেন। কেন এমন করল জানি না।”

পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 


Share