Land Grabbing

১১ কাঠা জমি দখলের অভিযোগ তৃণমূল সমর্থকদের বিরুদ্ধে, নতুন সরকারের দ্বারস্থ বঞ্চিতরা

কিন্তু অভিযোগ, ২০২৩ সালে আচমকাই তাঁদের জমি দখল হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, দখল করা জমিতে স্থায়ী নির্মাণও করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

রনি ঘোষ, সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য
নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদহ
  • শেষ আপডেট: ৩১ আগস্ট ২০২৬ ০৮:০৪

মালদহের পুরাতন মালদহ থানার সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ছাতিয়ান মোড় এলাকায় প্রায় ১১ কাঠা জমি দখলের অভিযোগ উঠল তৃণমূল সমর্থকদের বিরুদ্ধে। জমির মালিকদের দাবি, ২০২১ সালে তাঁরা ওই জমি কিনেছিলেন। নিয়ম মেনে জমির মিউটেশনও সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ, ২০২৩ সালে আচমকাই তাঁদের জমি দখল হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, দখল করা জমিতে স্থায়ী নির্মাণও করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

জমির মালিকদের মধ্যে কেউ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী, কেউ শিক্ষক, আবার কেউ বর্তমানে সরকারি দফতরে কর্মরত। তাঁদের দাবি, নিজেদের জমানো টাকা দিয়ে কয়েক জন মিলে ওই জমি কিনেছিলেন। জমি দখলের পর বিষয়টি নিয়ে পুলিশ-প্রশাসনের কাছে বার বার অভিযোগ জানানো হলেও কোনও সুরাহা হয়নি।

বঞ্চিত জমির মালিকদের অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল নেতা এবং তাঁদের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের একাংশ ওই জমি দখল করে রেখেছেন। এলাকায় জমি দেখতে গেলে তাঁদের মারধর করা হয় বলেও তাঁরা অভিযোগ করেছেন। তৃণমূল সরকারের আমলে বার বার অভিযোগ জানিয়েও কোনও পদক্ষেপ না হওয়ায় এ বার নতুন বিজেপি সরকারের কাছে জমি পুনরুদ্ধারের আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। দলের নেতৃত্বের দাবি, অন্যের জমি দখল কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। প্রয়োজনে বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ করা হবে।

যদিও সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য রনি ঘোষ জমি দখলের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, জমি দখলের ঘটনার সঙ্গে তিনি বা তাঁর কোনও আত্মীয় জড়িত নন। অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই বলেও তিনি দাবি করেছেন।


Share