Raj Chakraborty

সিনেমায় কাজে রাজ চক্রবর্তীর গলার স্বর নকল করে টোপ, হিরো হতে গিয়ে দু’লক্ষ টাকা খোয়ালেন যুবক

সেই বিজ্ঞাপন ‘এসভিএফ এন্টারটেইনমেন্ট’-এর কর্ণধার শ্রীকান্ত মোহতার অ‍্যাকাউন্ট থেকে হয়েছিল বলে দাবি। সেটা থেকেই তিনি যোগাযোগ করেন। তার পরেই এই যাবতীয় ঘটনার সূত্রপাত হয়।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৩ নভেম্বর ২০২৬ ১২:৫০

প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক তথা বাংলা চলচ্চিত্র পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর নাম করে প্রতারণার অভিযোগ বাঁশদ্রোনীতে। যুবকের দাবি, সমাজমাধ‍্যমে বিজ্ঞাপন দেখে তিনি যোগাযোগ করে। শ্রীকান্ত মোহতার সংস্থা ‘এসভিএফ এন্টারটেইনমেন্ট’-এর স্ট‍্যাম্প বসানো কাগজও পাঠানো হয়। তার বিনিময়ে সিনেমায় কাজ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। তার বিনিময়ে বিভিন্ন ভাবে তাঁর কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। এমনকী, রাজ চক্রবর্তীর গলার স্বর নকল করে ওই যুবককে ফোন করে টোপ দেওয়া হয়েছিল। থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

শুভজিৎ ঘোষদস্তিদার নামে ওই যুবক বাঁশদ্রোনীর বাসিন্দা। তাঁর অভিযোগ, তিনি সমাজমাধ‍্যমে সিনেমায় হিরোর অভিনয় করার জন‍্য একটি বিজ্ঞাপন দেখেন। সেই বিজ্ঞাপন ‘এসভিএফ এন্টারটেইনমেন্ট’-এর কর্ণধার শ্রীকান্ত মোহতার অ‍্যাকাউন্ট থেকে হয়েছিল বলে দাবি। সেটা থেকেই তিনি যোগাযোগ করেন। তার পরেই এই যাবতীয় ঘটনার সূত্রপাত হয়।

শুভজিতের বক্তব্য, তিনি বিজ্ঞাপন দেখে নিজের ছবি পাঠানোর পরে তাঁকে একটি নম্বর দেওয়া হয়। বলা হয়— নম্বরটি রাজ চক্রবর্তীর। তিনি ফোন করেন। ফোনের ওপারে থাকা ব্যক্তি তাঁকে ৩০ হাজার টাকা পাঠাতে বলেন। পাঠিয়েও দেন। রাজ চক্রবর্তীর গলা নকল করা হয়েছে বলে অভিযোগকারী মনে করছেন। সেই টাকাটি হিরো হিসেবে কাজ করার জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি হিসেবে বলা হয়েছিল বলে দাবি করেন।

তার পরে, শুভজিৎ হিরো অভিনয় করার যোগ্য কি না তার জন‍্য প্রোফাইল শুটিং-এর প্রয়োজন বলে জানানো হয়। সেই জন‍্য আবার তাঁর কাছ থেকে ৪২ হাজার টাকা দাবি করা হয়। সেই টাকাও তিনি দিয়ে দেন। স্ট‍্যাম্প পেপার পাঠিয়ে বলা হয় নতুন সিনেমা ‘সিরাজ-উর-দৌল্লা’-তে তিনি সুযোগ পাবেন। তার পরে আর প্রোফাইল শুটিং করা করার জন‍্য ৮৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়।

অভিযোগ, তিনি টাকা পাঠিয়েছেন। কিন্তু কোনও কাজ পাননি। তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তাই তিনি বাঁশদ্রোনী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ভারতীয় ন‍্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে। কীভাবে কার কাছে টাকা পৌঁছে গেল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


Share