Ayushman Bharat

৩১ অক্টোবর নয়, এবার ৩০ নভেম্বর! স্বাস্থ্যসাথী বা আয়ুষ্মান ভারত কার্ড জমা দিতে বাড়তি সময়, নয়া নির্দেশিকা অর্থ দফতরের

তবে নতুন নির্দেশিকা জারি করে সেই সময়সীমা বাড়িয়ে আগামী ৩০ নভেম্বর করা হয়েছে। ফলে কার্ড জমা দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র পেশ করার জন্য অতিরিক্ত এক মাস সময় পাবেন সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মী ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরা।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ০৮:৩২

পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় থাকা সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর। স্বাস্থ্যসাথী বা আয়ুষ্মান ভারত কার্ড জমা দেওয়ার সময়সীমা আরও এক মাস বাড়াল রাজ্য সরকার। আগে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে নতুন নির্দেশিকা জারি করে সেই সময়সীমা বাড়িয়ে আগামী ৩০ নভেম্বর করা হয়েছে। ফলে কার্ড জমা দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র পেশ করার জন্য অতিরিক্ত এক মাস সময় পাবেন সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মী ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরা।

রাজ্যের অর্থ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্প বা ডব্লিউবিএইচএসের আওতায় থাকা যেসব সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীর কাছে স্বাস্থ্যসাথী অথবা আয়ুষ্মান ভারত কার্ড রয়েছে, তাঁদের সেই কার্ড জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পের পাশাপাশি অন্য স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা নেওয়ার বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রথমে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে কার্ড জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন বহু কর্মী ও পেনশনভোগী। তাঁদের অসুবিধার কথা মাথায় রেখেই ৩০ অক্টোবর নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করে সময়সীমা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয় অর্থ দফতর। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সমস্ত প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

শুধু স্বাস্থ্যসাথী বা আয়ুষ্মান ভারত কার্ড জমা দিলেই হবে না। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্ধারিত ঘোষণাপত্র এবং কার্ড জমা দেওয়ার প্রমাণও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পেশ করতে হবে। রাজ্য সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী, সর্বভারতীয় পরিষেবার আধিকারিক এবং পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্পের নথিভুক্ত সুবিধাভোগীরা এই নির্দেশের আওতায় রয়েছেন। তাঁদের পরিবারের সদস্যদের কাছেও এই দুই প্রকল্পের কোনও কার্ড থাকলে তা-ও নির্ধারিত নিয়ম মেনে জমা দিতে হবে।

এই প্রক্রিয়া যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ হয়, সে জন্য সমস্ত সরকারি দফতরের প্রধান, ড্রয়িং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসার (ডিডিও) এবং পেনশন মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্যপালের অনুমোদনক্রমেই সময়সীমা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।

তবে সময়সীমা বাড়ানো হলেও আগের নির্দেশিকার অন্যান্য শর্তে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। অর্থ দফতরের ৯ অক্টোবরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্ড ও ঘোষণাপত্র জমা না দিলে সংশ্লিষ্ট কর্মী বা পেনশনভোগীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হতে পারে। এমনকী, নির্দেশ অমান্য করাকে শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবেও গণ্য করা হতে পারে। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই নতুন সময়সীমার মধ্যে সমস্ত নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


Share