Arrest

দলীয় কার্যালয় দখল ঘিরে মুকুন্দপুরে তুমুল সংঘর্ষ, জখম হুমায়ুন কবীর! রাতেই গ্রেফতার দুই তৃণমূল কর্মী

ধৃতদের নাম শ্রীদিব দাস ও বিক্রম পাণ্ডে। তাঁদের গ্রেফতার ঘিরে ইতিমধ্যেই কালীঘাটপন্থী তৃণমূল প্রশ্ন তুলেছে। দলের অভিযোগ, হামলায় আক্রান্ত হওয়ার পরেও তাঁদেরই কেন গ্রেফতার করা হল?

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৩:১২

দক্ষিণ কলকাতার মুকুন্দপুরে তৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষের ঘটনায় দুই মমতাপন্থী তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করল পূর্ব যাদবপুর থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম শ্রীদিব দাস ও বিক্রম পাণ্ডে। তাঁদের গ্রেফতার ঘিরে ইতিমধ্যেই কালীঘাটপন্থী তৃণমূল প্রশ্ন তুলেছে। দলের অভিযোগ, হামলায় আক্রান্ত হওয়ার পরেও তাঁদেরই কেন গ্রেফতার করা হল?

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মুকুন্দপুরে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সূত্রপাত। কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের অভিযোগ, যাদবপুর এলাকায় তাদের একাধিক দলীয় কার্যালয় বিজেপি দখল করেছে। সেই অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার রাতে তৃণমূল কর্মীরা মুকুন্দপুরে মিছিল করেন। মিছিল দলীয় কার্যালয়ের সামনে পৌঁছোতেই বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে বচসা শুরু হয় বলে অভিযোগ। এর পরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। মিছিল লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার অভিযোগও উঠেছে। তৃণমূলের অভিযোগ, মিছিলে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরাই হামলা চালান। পালটা বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তোলে। সংঘর্ষে গুরুতর জখম হন তৃণমূল নেতা হুমায়ুন কবীর। তৃণমূলের আইটি সেলের নেত্রী উপাসনা চৌধুরী-সহ আরও কয়েকজন আহত হন।

ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূলের কর্মীরা বিনা প্ররোচনায় দলের কর্মীদের উপর হামলা চালান। দলের এক কর্মী তৃণমূলের কর্মসূচির ভিডিয়োগ্রাফি করছিলেন। তা দেখেই তৃণমূল কর্মীরা তাঁর উপর চড়াও হন বলে অভিযোগ। এরপরই দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হামলার ঘটনায় বিজেপির তরফে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে রাতেই শ্রীদিব দাস ও বিক্রম পাণ্ডে নামে দুই তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।


Share