Metro Railway

পুজোর ভিড় সামলাতে বড় সিদ্ধান্ত কলকাতা মেট্রোর, রবিবার দুপুর ১টা থেকে ভোর ৪টে পর্যন্ত চলবে পরিষেবা! কোন লাইনে কখন শেষ মেট্রো?

গ্রিন লাইনেও রাতভর মিলবে মেট্রো পরিষেবা। তবে ইয়েলো ও পার্পল লাইনে পরিষেবা চালু থাকবে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। অন্যদিকে, অরেঞ্জ লাইনে রবিবারও মেট্রো পরিষেবা বন্ধ থাকছে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ০২:১৭

পুজোর ভিড় সামাল দিতে রবিবার রাতভর মেট্রো চালানোর সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ। দুপুর ১টা থেকেই ব্লু লাইনে শুরু হচ্ছে পরিষেবা, যা চলবে ভোর ৪টে পর্যন্ত। গ্রিন লাইনেও রাতভর মিলবে মেট্রো পরিষেবা। তবে ইয়েলো ও পার্পল লাইনে পরিষেবা চালু থাকবে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। অন্য দিকে, অরেঞ্জ লাইনে রবিবারও মেট্রো পরিষেবা বন্ধ থাকছে।

মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ব্লু লাইনে (দক্ষিণেশ্বর–শহিদ ক্ষুদিরাম) আপ ও ডাউন—দু’দিকেই দুপুর ১টা থেকে মেট্রো চলাচল শুরু হবে। শেষ মেট্রো পাওয়া যাবে ভোর ৪টে পর্যন্ত। গ্রিন লাইনে (হাওড়া ময়দান–সেক্টর ফাইভ) আপ লাইনে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে পরিষেবা শুরু হবে, চলবে ভোর ৩টে ৫২ মিনিট পর্যন্ত। ডাউন লাইনে মেট্রো চলবে দুপুর ১টা ৩৪ মিনিট থেকে ভোর ৩টে ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

ইয়েলো লাইনে (নোয়াপাড়া–বিমানবন্দর) আপ মেট্রো পরিষেবা শুরু হবে বিকেল ৩টে ২৪ মিনিটে। শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত ১০টা ৫৩ মিনিটে। ডাউন লাইনে পরিষেবা শুরু হবে বিকেল ৩টে থেকে, শেষ মেট্রো রাত ১০টা ৩০ মিনিটে। পার্পল লাইনে (জোকা–তারাতলা) আপ লাইনে বিকেল ৩টে থেকে রাত ১০টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত মেট্রো চলবে। ডাউন লাইনে পরিষেবা শুরু হবে বিকেল ৩টে ২৫ মিনিটে। শেষ মেট্রো পাওয়া যাবে রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে। তবে বেলেঘাটা–আইটি সেন্টার রুটে অরেঞ্জ লাইনের পরিষেবা বন্ধই থাকছে।

এ দিকে, পুজোর ভিড়ে কার্যত নাজেহাল কলকাতা মেট্রো। মেট্রো সূত্রে খবর, দৈনিক যাত্রীর সংখ্যা গড়ে দু’লক্ষ বেড়েছে। পুজোর কেনাকাটার ভিড়ের সঙ্গে যোগ হয়েছে মণ্ডপে মণ্ডপে ঠাকুর দেখার মানুষের ঢল। পাশাপাশি, শুক্রবার পর্যন্ত বহু অফিস খোলা থাকায় নিত্যযাত্রীদের ভিড়ও অব্যাহত ছিল। সব মিলিয়ে দুপুর থেকেই মেট্রো স্টেশনগুলিতে উপচে পড়ছে যাত্রীদের ভিড়।

পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। যাত্রীদের অভিযোগ, যে স্টেশনে মেট্রোর ৩০ সেকেন্ড দাঁড়ানোর কথা, সেখানে ভিড়ের চাপে দেড় থেকে দু’মিনিট পর্যন্ত দাঁড়াতে হচ্ছে। কোথাও ঠেলাঠেলি সামলে কামরায় উঠতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন যাত্রীরা, আবার কোথাও কাঁধে ঝোলানো ব্যাগের কারণে ভিড় ঠেলে কামরার ভিতরে ঢোকাই কঠিন হয়ে পড়ছে। পুজোর দিনগুলিতে যাত্রীদের এই চাপ সামাল দিতে রাতভর পরিষেবা কতটা স্বস্তি দেয়, এখন সেটাই দেখার।


Share