Special Intensive Rivision

নথি যাচাইয়ের পর থেকে ক্রমেই বাড়ছে তালিকা থেকে বাদ পড়ার সংখ্যা! শুনানি প্রক্রিয়া শেষ, এ বার হবে নথি যাচাই

নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, শুক্রবার পর্যন্ত শুনানিতে অনুপস্থিত ছিল শুক্রবার পর্যন্ত সাড়ে ছ'লক্ষ ভোটার শুনানিকেন্দ্রে উপস্থিত হয়নি। আর শনিবার শুনানির ডেডলাইন হলেও ছ'লক্ষের সংখ্যা কমে চার লক্ষ ৯৮ হাজার ব্যক্তি শুনানি কেন্দ্রে আসেনি।

সিইও মনোজকুমার আগরওয়াল
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:০৯

১৪ ফেব্রুয়ারী অর্থাৎ শনিবার ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর শুনানি শেষ হয়েছে। প্রত্যেকটি জেলার জেলাশাসকদের কাছ থেকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে রিপোর্ট পৌঁছে গিয়েছে। এক কোটি ৫১ লক্ষ ৯২ হাজার ৭৩৫ জনের নোটিস পাঠানো হয়েছিল। ইতিমধ্যেই প্রায় এক কোটি ৩৬ লক্ষ ৯২ হাজার নথি যাচাই (ভেরিফিকেশন) সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে।  

নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, শুক্রবার পর্যন্ত শুনানিকেন্দ্রে অনুপস্থিতির সংখ্যা ছিল প্রায় সাড়ে ছ'লক্ষ। আর শনিবার শুনানির শেষ হওয়ার পর সংখ‍্যাটা দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৯৮ হাজার। তথ‍্যগত অসঙ্গতি বা লজিক্যাল ডিস্ক্রেপেন্সি সংক্রান্ত শুনানিতে যাঁদের ডাকা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যেই এই বিপুল সংখ্যক গরহাজির থেকেছেন। এই গোটা শুনানি পর্বে উত্তর ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি গরহাজিরা দেখা গিয়েছে। ওই জেলায় শুনানিতে এক চতুর্থাংশ ডাক পড়া ভোটার আসেননি। কমিশনের ভিতরেই এই বিপুল সংখ্যক অনুপস্থিতি ঘিরে উদ্বেগ তৈরী হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ গিয়েছে। মূলত, মৃত-ভুয়ো-স্থানান্তরিত-অনুপস্থিত ভোটার হিসেবেই এই নাম বাদ যায়। শুনানি পর্বের পরে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পরেও আরও নাম বাদ যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বর্তমানে শুনানি শেষের পর সুপার চেকিং প্রক্রিয়া চলছে। সেই সময় রোল অবর্জাভারদের নজরে আসে অযোগ্য ভোটারদের তালিকা। শুক্রবার সেই সংখ্যাটি ছিল প্রায় এক লক্ষ ৪০ হাজার। কিন্তু শুনানি শেষের দিন এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল এক লক্ষ ৬৩ হাজারে। ফলত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছে। নথিতে অসঙ্গতি থাকার কারণেই তাদের নাম বাদ যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই ভোটারদের নাম বাদ গেলেও পরবর্তীতে নাম তোলার সুযোগ থাকবে।

পাশাপাশি, ১ কোটি ৫২ লক্ষ ব্যক্তিকে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল তাদের মধ্যে এখনও ১৫ লক্ষ ভোটারের নথি যাচাই (ভেরিফিকেশন) বাকি রয়েছে। প্রায় ৫০ লক্ষের বেশি ভোটারের নথি মাইক্রো অবর্জাভারদের তরফ থেকে যাচাই করা বাকি রয়েছে। তা-ও নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সেরে ফেলতে হবে। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। তা ত্রুটিমুক্ত করতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন, এমনটাই জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল।


Share