Janakalyan Shibir

উপচে পড়া ভিড়, বাড়ল জনকল্যাণ শিবিরের মেয়াদ, ১৮ জুন পর্যন্ত মিলবে ৫৫ প্রকল্পের সুবিধা, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

তিনি বলেন, ‘‘এই শিবির থেকে কেন্দ্র এবং রাজ্যের সমস্ত রকম সুবিধা মিলবে। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরেই বিজ্ঞপ্তি জারির তৎপরতা শুরু হল নবান্নে।"

জনকল্যাণ শিবির।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬ ০২:২৭

সারা রাজ্য জুড়ে আয়োজন করা হয়েছে জনকল্যাতিনি বলেন, ‘‘এই শিবির থেকে কেন্দ্র এবং রাজ্যের সমস্ত রকম সুবিধা মিলবে। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরেই বিজ্ঞপ্তি জারির তৎপরতা শুরু হল নবান্নে।"ণ শিবিরের। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই চালু হয়েছে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক প্রকল্প। সেই প্রকল্পেরই অংশ হিসেবে শুরু হয়েছে জনকল্যাণ শিবির। রাজ্যে মোট এক হাজার ১০০ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। ১৫-১৭ জুন পর্যন্ত আয়োজন করা হয়েছিল এই শিবিরের। সেই শিবিরগুলিতে এক ছাতার তলায় মিলছে ৫৫ রকমের সুবিধা। প্রতিদিনই সাধারণ মানুষ ভিড় জমাচ্ছে এই শিবিরগুলিতে। এ বার সেই শিবিরের সময়সীমা আরোও একদিন বাড়ানো হল। জনসাধারণের সুবিধার্থেই এই সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১৮ জুন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ‘জনকল্যাণ শিবির’ চলবে বলে জানা গিয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ফলতার এক জনকল্যাণ শিবিরে গিয়েছেন। সেখান থেকেই সময়সীমা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন তিনি। অর্থাৎ বৃহস্পতিবারেও রাজ্য জুড়ে এই শিবির চলবে। তিনি বলেন, ‘‘এই শিবির থেকে কেন্দ্র এবং রাজ্যের সমস্ত রকম সুবিধা মিলবে। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরেই বিজ্ঞপ্তি জারির তৎপরতা শুরু হল নবান্নে।"

মুখ্যমন্ত্রী জানান সময়ের অভাবের কারণে অঞ্চলে এই শিবির আয়োজন করা যায়নি। এ কারণেই প্রত্যেকটা শিবিরে লোকের ভিড় উপচে পড়ছে। বিজেপি সরকার সমস্ত কল্যাণকর কর্মসূচি পরিচ্ছন্নতা এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের সমস্ত প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন, তার জন্য ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘‘ সমস্ত প্রকল্প যাতে রাজ্যবাসী কোনও রকম দুর্নীতি ছাড়াই পেতে পারে তা সুনিশ্চিত করছে এই সরকার।’’ এর পরই শুভেন্দু জানান, এত বেশি লাইন পড়ছে শিবিরগুলিতে, তাই আরও এক দিন মেয়াদ বৃদ্ধি করা হল।

শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, ‘‘এই রাজ্যে এক কোটি ৪৩ লক্ষ পরিবার, সাড়ে ৬ কোটি মানুষ আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।’’ জানিয়েছেন, গ্রামীণ এলাকার স্বল্প আয়ের মানুষও প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবেন। এই প্রকল্পে ১০০ ইউনিটের জন্য ৩০ হাজার টাকা, ২০০ ইউনিটের জন্য ৬০ হাজার টাকা এবং ৩০০ ইউনিটের জন্য সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি দেওয়া হবে। প্রকল্পের সুবিধা পেতে হলে জনকল্যাণ শিবিরে নাম নথিভুক্ত করতে হবে।

অন্নপূর্ণা ভান্ডার নিয়েও ব্যাখ্যা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, তিনি বলেন, ‘‘লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুর ব্লকে প্রায় সাড়ে চার হাজার পুরুষ লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা তুলে নিয়েছেন। কৃষ্ণনগর ২ নম্বর ব্লকে ১৭৩ জন পুরুষ এই টাকা তুলেছেন। পুলিশ, সিআইডি তদন্ত করছে। মা-বোনেদের হকের টাকা লুট করেছে।’’


Share