Rape

বন্ধুর বাড়িতে ডেকে নিয়ে যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগ, মোবাইল কেড়ে নেওয়া ও হেনস্থার দাবি, ঠাকুরপুকুরে বন্ধু-সহ তিন অভিযুক্ত গ্রেফতার, তদন্তে পুলিশ

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধান অভিযুক্ত নির্যাতিতার পরিচিত এবং বন্ধু। অভিযোগ, তিনি জোর করে যুবতীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬ ০৮:০৬

শনিবার রাতে বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হলেন এক যুবতী। এই ঘটনায় ঠাকুরপুকুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বন্ধু-সহ মোট তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই তিন অভিযুক্তকেই গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধান অভিযুক্ত নির্যাতিতার পরিচিত এবং বন্ধু। অভিযোগ, তিনি জোর করে যুবতীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পাশাপাশি, অপর এক অভিযুক্ত তাঁর পরনের জামাকাপড় খুলে দেন এবং অভব্য আচরণ করেন বলেও অভিযোগ করেছেন নির্যাতিতা। এ ছাড়া, তাঁর মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

তরুণীর অভিযোগ, শনিবার গভীর রাতে তাঁর উপর নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, ঘটনার সময় অসদুদ্দেশ্যে তাঁর মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ইতিমধ্যেই তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। পাশাপাশি, তৃতীয় অভিযুক্তের ভূমিকা নিয়েও বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতার মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে। কী উদ্দেশ্যে ফোনটি কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। পুলিশ সূত্রে আরও খবর, প্রধান অভিযুক্তের দুই বন্ধু রবিবার সকালে তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন। তবে এখনও পর্যন্ত নির্যাতিতাকে হেনস্থার ঘটনায় তাঁদের প্রত্যক্ষ যোগের প্রমাণ মেলেনি। তবুও ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

পুলিশ সূত্রের খবর, গ্রেফতার হওয়া তিন অভিযুক্তের মধ্যে একজন একটি খাবার সরবরাহকারী সংস্থার অফিসে নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করেন। অপর দু’জনের মধ্যে একজন যাত্রীবাহী বাইক পরিষেবার চালক এবং অন্য জন এক চিকিৎসকের কম্পাউন্ডার হিসেবে কর্মরত।

এ দিকে তদন্তে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা প্রথমে মোবাইল ফোন হারানোর অভিযোগ জানাতে নেতাজি নগর থানায় গিয়েছিলেন। সেখানে তাঁর বক্তব্য শোনার পর পুলিশ তাঁকে ঠাকুরপুকুর থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেয়। পরে ঠাকুরপুকুর থানাতেই তিনি ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন।


Share