Kolkata Metro Rail

অরেঞ্জ লাইনে মেট্রো চলাচল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ রাজ্য, ওই এলাকার কাজ আরও পিছিয়ে গেল বলে আশঙ্কা

প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে একাধিকবার দু’পক্ষ বৈঠকে বসে। ওই কাজের জন্য যান নিয়ন্ত্রণের আশ্বাস দিয়েও শেষ পর্যন্ত রাজ্য বেঁকে বসে বলে অভিযোগ। হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ট্রাফিক ব্লক করে ওই কাজের সুযোগ দিতে হবে রাজ্যকে।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০১:১৯

চিংড়িঘাটার মেট্রো সম্প্রসারণের কাজ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গেল রাজ্য। এর ফলে, সেই প্রায় ৩১৬ বর্গমিটার এলাকার কাজ আরও পিছিয়ে গেল বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ওই কাজ শুরুর জন্য ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাইপাসের যান নিয়ন্ত্রণ করতে হবে বলে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল।

অভিযোগ, ওইটুকু কাজ শেষ না হওয়ায় নিউ গড়িয়া থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত অরেঞ্জ লাইনে মেট্রো চালানো সম্ভব হচ্ছে না। সল্টলেক সেক্টর ফাইভ হয়ে এই মেট্রো সম্প্রসারণের কাজ শেষ হলে বহু মানুষ উপকৃত হবেন বলেই দাবি করেছেন মেট্রো কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যেই সেক্টর ফাইভ থেকে ধর্মতলা হয়ে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত মেট্রোর গ্রিন লাইন চালু হয়েছে। চিংড়িঘাটার মেট্রোর কাজ শেষ হলে অরেঞ্জ লাইনের সঙ্গেই কার্যত জুড়ে যাবে গ্রিন লাইন। দু’টি লাইনেই সেক্টর ফাইভে পাশাপাশি স্টেশন রয়েছে।

চিংড়িঘাটায় মেট্রো লাইনের কাজ শেষ করতে দু’টি পিলার বসানোর প্রয়োজন। সেই দু’টি পিলার বসাতে গেলে চিংড়িঘাটা মোড়ে ইএম বাইপাসে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এ নিয়ে মেট্রো কর্তৃপক্ষ ও রাজ্য সরকারের মধ্যে দীর্ঘ টানাপড়েন চলে। শেষে রাজ্যের সহযোগিতার অভাবের অভিযোগে গত বছর হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা হয়। সেই মামলায় অভিযোগ, চিংড়িঘাটায় পিলার তৈরি করতে রাজ্য ও কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের কাছ থেকে যান নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে একাধিকবার দু’পক্ষ বৈঠকে বসে। ওই কাজের জন্য যান নিয়ন্ত্রণের আশ্বাস দিয়েও শেষ পর্যন্ত রাজ্য বেঁকে বসে বলে অভিযোগ। হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ট্রাফিক ব্লক করে ওই কাজের সুযোগ দিতে হবে রাজ্যকে।

মেট্রোর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের পাশাপাশি কলকাতার পুলিশ কমিশনার, ট্র্যাফিকের যুগ্ম কমিশনার ও ডিসি ট্র্যাফিকও মামলা করেছেন। সোমবার এই মামলা দায়ের হলেও, নথিতে কিছু ত্রুটি থাকায় মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে তা আপলোড করে, ত্রুটি শুধরানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তারপরেই শুনানির দিন ধার্য হবে বলে জানা গিয়েছে।


Share