Chor Bahan Incident

দুর্গাপুজোর বিশেষ দায়িত্বে মুরলীধর শর্মা, রূপেশ কুমার-সহ সাতজন আইপিএস অফিসার, জরুরি ভিত্তিতে কাজে লাগানোর নির্দেশ দিল নবান্ন

চোরবাগান কাণ্ডের পর দুর্গাপুজোর ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা সামলাতে মুরলীধর শর্মা, মিরাজ খালিদ, রূপেশ কুমার-সহ সাত আইপিএস অফিসারকে বিশেষ দায়িত্বে নিয়োগের নির্দেশ দিল নবান্ন।

(বাঁ দিক থেকে) মুরলীধর শর্মা এবং রূপেশ কুমার।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ০৪:৫৩

চোরবাগানের পদপিষ্টের ঘটনার পরে সাতজন আইপিএস অফিসারকে কলকাতার দুর্গাপুজোর দায়িত্বে আনার নির্দেশ দিল নবান্ন। এর মধ্যে দু’জন আইজি পদমর্যাদার আধিকারিক রয়েছেন, দু’জন ডিআইজি পদমর্যাদার আধিকারিক রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

যে দু’জন আইজি পদমর্যাদার আধিকারিক রয়েছেন তাঁরা হলেন মুরলীধর শর্মা এবং মিরাজ খালিদ। মুরলীধর শর্মা দীর্ঘদিন ধরে কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (অপরাধ) ছিলেন। অন‍্য দিকে মিরাজ খালিদ যুগ্ম কমিশনার (সদর দফতর) ছিলেন। হাতের তালুর মতো কলকাতাতে চেনেন তাঁরা। আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব মূলত যুগ্ম কমিশনার (সদর দফতর)-এর। তাই এই দুই সিনিয়র আইপিএস অফিসারকে বিশেষ দায়িত্বে আনায় ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও মজবুত হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

আবার এই সাত জনের মধ্যে রয়েছেন ডিআইজি পদমর্যাদার দুই আইপিএস অফিসার রুপেশ কুমার এবং তরুণ হালদার। রুপেশ কুমার দীর্ঘদিন কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ট্র্যাফিক) ছিলেন। তিনিও শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থাকে হাতের তালুর মতো চেনেন। অতিরিক্ত ভিড় এবং ট্রাফিক বৃদ্ধি পেলে কোথায়, কখন, কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে তা তিনি জানেন।

এ ছাড়াও, পুলিশ সুপার পদমর্যাদার তিনজন আইপিএস অফিসারও দুর্গাপুজোর বিশেষ দায়িত্বে আনা হচ্ছে। তাঁরা হলেন— প্রিয়ব্রত রায়, দীপক সরকার, এবং সৌম রায়। প্রিয়ব্রত রায় ডেপুটি কমিশনার (দক্ষিণ) এবং দীপক সরকার ডেপুটি কমিশনার (উত্তর) ছিলেন। তাঁদেরও তৃণমূলস্তরে কাজ করার যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে।

পুলিশ সূত্রের খবর, নবান্নের তরফে এই সাত জন আইপিএস অফিসারকে মৌখিকভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রত‍্যেককে ভীড় বা জমায়েত যেখানে বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেখানে পাঠানো হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। রবিবার বিকেলের মধ্যে তাঁদের লালবাজারে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে।


Share