Train Reservation

সিট ভাগ, তবু পুরো দাম! আরএসি ব্যবস্থায় বদলের সুপারিশ পাবলিক অ্যাকাউন্ট কমিটির

এই প্রেক্ষিতে রেল মন্ত্রককে সুপারিশ করা হয়েছে, আরএসি যাত্রীদের জন্য আংশিক ভাড়া ফেরতের ব্যবস্থা চালু করতে। যেসব টিকিট শেষ পর্যন্ত কনফার্ম হবে না, সেগুলির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট অংশের ভাড়া রিফান্ড দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:১৬

ট্রেনে টিকিট কাটলেই যে সবসময় কনফার্ম আসন মিলবে, তার নিশ্চয়তা নেই। অনেক ক্ষেত্রেই যাত্রীরা আরএসি (রিজার্ভেশন এগেনস্ট ক্যানসেলেশন) টিকিট পান, যেখানে অন্য যাত্রীর সঙ্গে সিট ভাগ করে ভ্রমণ করতে হয়। এবার এই আরএসি ব্যবস্থাই সংসদের পাবলিক অ্যাকাউন্ট কমিটির নজরে এসেছে। কমিটি এই ব্যবস্থায় আপত্তি জানিয়ে রেলকে বিকল্প ভাবনার পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি সুপারফাস্ট ট্রেনের গতিবেগের মানদণ্ড নিয়েও পুনর্বিবেচনার কথা বলা হয়েছে।

চলতি সপ্তাহের বুধবার প্যাক-এর কাছে ‘পানচুয়ালিটি অ্যান্ড ট্রাভেল টাইম ইন ট্রেন অপারেশনই ইন ইন্ডিয়ান রেলওয়েস’ শীর্ষক একটি রিপোর্ট পেশ করা হয়। সেখানে কমিটির বক্তব্য, আরএসি টিকিটের জন্য যাত্রীদের পূর্ণ ভাড়া নেওয়া হলেও চার্ট তৈরির পরও তারা নির্দিষ্ট বার্থ পান না, বরং অন্যের সঙ্গে সিট ভাগ করতে বাধ্য হন। কনফার্ম টিকিটধারীদের সমান ভাড়া নিয়েও এই পরিস্থিতি তৈরি হওয়া উচিত নয় বলে মত কমিটির।

এই প্রেক্ষিতে রেল মন্ত্রককে সুপারিশ করা হয়েছে, আরএসি যাত্রীদের জন্য আংশিক ভাড়া ফেরতের ব্যবস্থা চালু করতে। যেসব টিকিট শেষ পর্যন্ত কনফার্ম হবে না, সেগুলির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট অংশের ভাড়া রিফান্ড দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া সুপারফাস্ট ট্রেনের সংজ্ঞা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে কমিটি। ২০০৭ সালের নিয়ম অনুযায়ী, ব্রড গেজ লাইনে ঘণ্টায় ৫৫ কিমি এবং মিটার গেজে ৪৫ কিমি গড় গতিবেগ থাকলেই ট্রেনকে সুপারফাস্ট ধরা হয়। কিন্তু প্রযুক্তি ও পরিকাঠামোর উন্নতির পরেও এই মানদণ্ড বদলানো হয়নি বলে মত প্যাক-এর। বর্তমানে ৪৭৮টি সুপারফাস্ট ট্রেনের মধ্যে ১২৩টির গড় গতি ঘণ্টায় ৫৫ কিমিরও কম বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।


Share