New Market Fire

দশ জনের ন’জনই মৃত! নিউ মার্কেটের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করল পুলিশ, দুই কর্মীকে আটক করে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ

কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ) কুনাল আগরওয়াল জানিয়েছেন, শিখা হোটেলে ১০ জন আবাসিক ঘটনার আগে পর্যন্ত ছিলেন। তাঁদের মধ‍্যে ন’জনই মারা গিয়েছেন। এক জন বেঁচে গিয়েছেন।

ঘটনাস্থলে ফরেন্সিক বিভাগের বিশেষজ্ঞরা।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০২৬ ০৬:৫৩

মঙ্গলবার গভীর নিউ মার্কেটের গালিফ স্ট্রিটের হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দশ জনের মধ‍্যে ন’জনই মারা গিয়েছেন। ঘটনায় নিউ মার্কেট থানায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ভারতীয় ন‍্যায় সংহিতা এবং দমকল আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ) কুনাল আগরওয়াল জানিয়েছেন, শিখা হোটেলে ১০ জন আবাসিক ঘটনার আগে পর্যন্ত ছিলেন। তাঁদের মধ‍্যে ন’জনই মারা গিয়েছেন। এক জন বেঁচে গিয়েছেন। হোটেলে মোট ন’টি ঘর রয়েছে। এর মধ্যে চারটি ঘর থেকে ন’টি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, মৃতদের মধ্যে মধ্যে ছ’জন পুরুষ, দু’জন মহিলা এবং জন শিশু রয়েছে। মৃতদের মধ্যে এক জন বিহারের বাসিন্দা এবং অপর জন শিলিগুড়ির বাসিন্দা। তাঁরা হলেন সন্দীপ পাসোয়ান এবং যোগনারায়ণ আগরওয়াল। বাকিরা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক। তাঁরা হলেন, আক্রম আলি, দেবাশিস দত্ত, আফসানা শরমিন, স্বর্ণাশিষ দত্ত এবং বাবু আহমেদ। পাঁচ জনের পাসপোর্ট দেখেই দেহ শনাক্ত করা হয়েছে। দু’জনের দেহের শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া চলছে।

কুনাল আগরওয়াল জানান, হোটেল মালিকের নাম বীরেশ্বর মিত্র। তাঁর বাড়ি বেহালায়। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েও বীরেশ্বরের খোঁজ পাওয়া যায়নি। হোটেল সংক্রান্ত বৈধ নথিও তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেন ওই পুলিশ কর্তা। এ ছাড়াও, শহরের তাঁর দুটি হোটেল আছে।

ঘটনাস্থলের ফরেন্সিক পরীক্ষা করা হয়েছে। শর্ট সার্কিটের কারণেই আগুন লেগেছে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করছে পুলিশ। দু’জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁরা বীরেশ্বরের অপর একটি হোটেলের কর্মচারী বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ) কুনাল আগরওয়াল।


Share