Cyber Crime

কর্ণাটকে সংঘটিত সাইবার অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ, দুবাই পালাতে গিয়ে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার শেখ সাবির

পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ভোরে দুবাইগামী বিমানে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিল শেখ সাবির। সেই সময় বিমানবন্দরের অভিবাসন দফতরের আধিকারিকরা সাবিরকে আটক করেন।

কলকাতা বিমানবন্দর।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ০৮:৪৮

কর্ণাটকে একাধিক সংঘটিত সাইবার প্রতারণার মামলায় অভিযুক্ত এক পলাতককে কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করল পুলিশ। পুলিশ সূত্রের মঙ্গলবার কলকাতা বিমানবন্দর থেকে দুবাই পালানোর চেষ্টা করার সময় তাকে আটক করা হয়। পরে বিমানবন্দর থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়। তাকে ট্রানজিট রিমান্ডে কর্ণাটকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। 

ধৃতের নাম শেখ সাবির। কর্নাটকে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক সাইবার প্রতারণার মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সাইবার প্রতারণার সিন্ডিকেট চালাত এই শেখ সাবির। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের নাগালের বাইরে ছিল সে। তাঁর বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে লুকআউট সার্কুলার জারি করা হয়েছিল।

পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ভোরে দুবাইগামী বিমানে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিল শেখ সাবির। সেই সময় বিমানবন্দরের অভিবাসন দফতরের আধিকারিকরা সাবিরকে আটক করেন। পরে সাবিরকে বিমানবন্দর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এর পর বিধাননগর পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

বিধাননগর পুলিশকর্তা জানান, মঙ্গলবার সকালে কলকাতা থেকে দুবাই পালানোর পরিকল্পনা করেছিল শেখ সাবির। বিমানে ওঠার সময় লুকআউট নোটিসের ভিত্তিতে তাকে অভিবাসন দফতরের আধিকারিকেরা আটক করেন। পরে তাকে বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়। এই বিষয়ে কর্নাটক পুলিশকে জানানো হয়েছে।

তদন্তকারীদের অভিযোগ, একটি বড় সাইবার প্রতারণা চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিল শেখ সাবির। আর্থিক প্রতারণা, তোলাবাজি এবং ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’-এর ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করত। তার বিনিময়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। এই বিষয়ে বেঙ্গালুরু সিটি সাইবার ক্রাইম থানায় একাধিক অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। তার ভিত্তিতে শেখ সাবিরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তের খোঁজ না মেলায় লুকআউট নোটিস জারি করা হয়েছিল। সেই নোটিসের ভিত্তিতেই কলকাতা বিমানবন্দরে তাকে আটক করা সম্ভব হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে।

বর্তমানে ধৃতকে কর্নাটকে নিয়ে যাওয়ার জন্য ট্রানজিট রিমান্ডের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে বিধাননগর পুলিশ কর্নাটক পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করছে বলেও বিধাননগর সিটি পুলিশের ওই কর্তা জানিয়েছেন। 


Share