Inspection

পুজোর আগেই কলকাতার শপিং মলে বিশেষ অভিযান, সাউথ সিটি থেকে অ্যাক্রোপলিস-সহ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পুলিশ ও দমকলের

বিশেষ করে আপৎকালীন সিঁড়িগুলির অবস্থা, সেগুলি সহজে ব্যবহারযোগ্য কি না এবং কোনও বিপদের সময় সাধারণ মানুষ নিরাপদে ওই সিঁড়ি দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারবেন কি না, তা পরীক্ষা করে দেখছেন আধিকারিকেরা।

কলকাতার বিভিন্ন মলে চলছে অভিযান।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০২:৪৮

হোটেল, রেস্তরাঁ এবং গেস্ট হাউসের পর এ বার পুলিশের নজরে কলকাতার অভিজাত শপিং মলগুলি। শহরের একাধিক শপিং মলে শুরু হয়েছে পুলিশ ও দমকলের যৌথ অভিযান। সাউথ সিটি মল, পার্ক স্ট্রিটের পতাকা হাউস এবং অ্যাক্রোপলিস মলের মতো একাধিক শপিং মলে গিয়ে অগ্নি-সুরক্ষা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখছেন দমকল ও পুলিশের আধিকারিকেরা। মূলত মলগুলিতে অগ্নি-সুরক্ষা বিধি যথাযথ ভাবে মানা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই অডিট। অগ্নি-নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনুমোদনও পরীক্ষা করছেন আধিকারিকেরা। পাশাপাশি, আপৎকালীন পরিস্থিতিতে মল খালি করার ব্যবস্থা কতটা কার্যকর, তা-ও দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে আপৎকালীন সিঁড়িগুলির অবস্থা, সেগুলি সহজে ব্যবহারযোগ্য কি না এবং কোনও বিপদের সময় সাধারণ মানুষ নিরাপদে ওই সিঁড়ি দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারবেন কি না, তা পরীক্ষা করে দেখছেন আধিকারিকরা।

পুজোর আর মাত্র ৩৮ দিন বাকি। পুজোর সময় কলকাতার শপিং মলগুলিতে ভিড় কয়েক গুণ বাড়বে। শুধু কেনাকাটা নয়, মলগুলির ভিতরে থাকা রেস্তরাঁ ও ফুড কোর্টগুলিতেও মানুষের ভিড় উপচে পড়বে। তার আগেই শহরের শপিং মলগুলির অগ্নি-সুরক্ষা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে পুলিশ ও দমকল অভিযানে নামল।

বুধবার সকাল থেকেই শহরের একাধিক অভিজাত শপিং মলে চলছে অগ্নি-সুরক্ষা অডিট। সূত্রের খবর, কলকাতার মোট ২৯টি শপিং মলে পুলিশ ও দমকল আধিকারিকেরা অভিযান চালাচ্ছেন। কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে সাধারণ মানুষ নিরাপদে বেরিয়ে আসতে পারবেন কি না, জরুরি বহির্গমন পথ এবং আপৎকালীন সিঁড়িগুলি ব্যবহারযোগ্য অবস্থায় রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা হচ্ছে। পাশাপাশি মলগুলিতে অগ্নি-নির্বাপণ সংক্রান্ত সমস্ত নিয়ম যথাযথ ভাবে মানা হচ্ছে কি না, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে কি না, আধিকারীকেরা তাও খতিয়ে দেখছেন।

উল্লেখ্য, নিউ মার্কেটের মির্জা গালিব স্ট্রিটের ১৫এইচ নম্বর ভবনে থাকা আবাসিক হোটেল শিখা ইনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ন'জনের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার পরই শহরের হোটেল, রেস্তরাঁ ও গেস্ট হাউসগুলির অগ্নি-সুরক্ষা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে বিশেষ দল গঠন করা হয়। সেই অডিটের পর নবান্নে রিপোর্ট জমা পড়ে। রিপোর্টের ভিত্তিতে শহরের ৯১৯টি হোটেল ও গেস্ট হাউসের লাইসেন্স বাতিল করা হয় বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।


Share