RG Kar Case

আরজি কর মেডিকেলে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সন্দেহভাজনদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার দাবি, ফের আদালতের দ্বারস্থ নির্যাতিতার বাবা-মা

আবেদনে বলা হয়েছে, কলকাতা পুলিশ-এর এক এএসআই এবং ঘটনার রাতে যাঁরা শেষবার নির্যাতিতার সঙ্গে ছিলেন, সেই চিকিৎসক পড়ুয়াদের কাস্টডিতে নিয়ে জেরা করা প্রয়োজন। ১২ পাতার আবেদনে মোট ন’টি বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।

আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০২:৩৪

আরজি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সন্দেহভাজনদের কাস্টডিতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানালেন নির্যাতিতার মা-বাবা। এ জন্য মঙ্গলবার আদালতে তাঁরা একটি আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, কলকাতা পুলিশ-এর এক এএসআই এবং ঘটনার রাতে যাঁরা শেষবার নির্যাতিতার সঙ্গে ছিলেন, সেই চিকিৎসক পড়ুয়াদের কাস্টডিতে নিয়ে জেরা করা প্রয়োজন। ১২ পাতার আবেদনে মোট ন’টি বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।

নির্যাতিতার আইনজীবী অর্মত্য দে ও রাজদ্বীপ হালদার প্রশ্ন তোলেন, 'লাস্ট সিন টুগেদারের তত্ত্ব অনুসারে ৮ অগস্ট রাতে যাঁরা শেষবার নির্যাতিতার সঙ্গে ছিলেন ওই চার চিকিৎসককে পলিগ্রাফ টেস্টের পরে কেন ছাড়া হলো? ওদের কাস্টডিতে নেওয়া প্রয়োজন। কলকাতা পুলিশের এক এএসআই, যাঁর ছত্রছায়াতে সঞ্জয় রায় থাকতেন, তাঁর ভূমিকা সন্দেহজনক হওয়া সত্ত্বেও কেন ছাড় দেওয়া হলো? এ ছাড়া ঘটনাস্থলের ভিডিয়োগ্রাফি অসম্পূর্ণ। যাঁরা সেটা করেছেন,তাঁদের কেন সিবিআই ছেড়ে রেখেছে?'

আইনজীবীদের দাবি, নির্যাতিতার আইনজীবী আরও বলেন, 'ঘটনাস্থলে বহু ব্যক্তি আসায় সেখানে তথ্য-প্রমাণ লোপাট হয়েছে বলে সিবিআই উল্লেখ করেছিল। তা হলে তাঁদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি?' এ দিন নির্যাতিতার মা–বাবা বলেন, 'মেয়ের নির্যাতনে যাঁরা যুক্ত সকলের শাস্তি প্রয়োজন।' মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী বৃহস্পতিবার।

এদিকে, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল-সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি এবং ব্যবসায়ী শশীকান্ত চন্দক-এর বিরুদ্ধে ২৫ ফেব্রুয়ারি চার্জ গঠনের নির্দেশ দিয়েছে আলিপুরের বিশেষ আদালত। এ দিন আখতারের পক্ষ থেকে জামিনের আবেদন করা হয়নি।

প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-এর আইনজীবী সঞ্জয় দাশগুপ্ত বলেন, 'সিবিআই আখতারের বিরুদ্ধে যে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করেছে তা চূড়ান্ত নয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী দিনে আবারও তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হতে পারে।' সব পক্ষের সওয়াল জবাব শুনে বিচারক আখতার ও চন্দকের বিরুদ্ধে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি চার্জ গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।


Share