Cyber Crime

অনলাইনে পিজি বুকিং করতে গিয়ে সাইবার প্রতারণার শিকার কলকাতার প্রাক্তন কমিশনারের পুত্র! ভুবনেশ্বর থেকে গ্রেফতার অভিযুক্ত

সমস্ত ডিজিটাল তথ‍্য যাচাই করে পুলিশ জানতে পারে, অ‍্যাকাউন্টটি রাকেশ প্রধান নামে এক যুবকের নামে রয়েছে। রাকেশ ভুবনেশ্বরের হাউজিং বোর্ড কলোনি এলাকার বাসিন্দা। তাঁর লোকেশন নিশ্চিত করে পুলিশ। এর পরেই গত ২ ফেব্রুয়ারি চন্দ্রশেখরপুর থানার এলাকায় পুলিশ অভিযান চালায়।

নিজস্ব সংবাদদাতা
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:৫৬

এ বার সাইবা প্রতারণার শিকার হলেন কলকাতার পুলিশের প্রাক্তন কমিশনার মনোজ বর্মার পুত্র। তিনি গোটা বিষয়টি তিনি পুলিশকে জানিয়েছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। ওড়িশার ভুবনেশ্বর থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে খুইয়ে যাওয়া টাকা উদ্ধার করা যায়নি বলেই জানা গিয়েছে।

পুলিশ সূত্রের খবর, কলকাতা পুলিশের কমিশনার মনোজকুমার বর্মার পুত্র পীযূষ বর্মা (২৩)  দিল্লিতে পিজি খুঁজছিলেন। সেই মর্মে অনলাইনে একটি পিজি বুক করেতে যান। অপর দিক থেকে প্রতারকেরা পিজিতে থাকার ব‍্যবস্থা করে দেবে বলে অগ্রিম টাকা দিতে বলে। সেই মতো পীযূষ নিজের রাষ্ট্রায়ত্ত ব‍্যাঙ্কের অ‍্যাকাউন্ট থেকে অগ্রিম বাবদ ১২ হাজার ৩৪ টাকা পাঠিয়ে দেন। এর পরে ধাপে ধাপে ৩০ হাজার ৩৩ টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারকেরা।

পীযূষ বর্মা গত ২৮ জানুয়ারি অভিযোগ দায়ের করেন সাইবার পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, টাকা প্রথমে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে জমা পড়ে। পরে সেই টাকা একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের ওড়িশার চন্দ্রশেখরপুর (ভুবনেশ্বর) শাখার একটি অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। সেখান থেকে এটিএমের মাধ্যমে নগদ টাকা বার করে নেয় প্রতারকেরা।

সমস্ত ডিজিটাল তথ‍্য যাচাই করে পুলিশ জানতে পারে, অ‍্যাকাউন্টটি রাকেশ প্রধান নামে এক যুবকের নামে রয়েছে। রাকেশ ভুবনেশ্বরের হাউজিং বোর্ড কলোনি এলাকার বাসিন্দা। তাঁর লোকেশন নিশ্চিত করে পুলিশ। এর পরেই গত ২ ফেব্রুয়ারি চন্দ্রশেখরপুর থানার এলাকায় পুলিশ অভিযান চালায়।

পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত রাকেশ প্রধানকে সৈলশ্রী বিহারের একটি ভাড়া বাড়ি থেকে আটক করা হয়। দীর্ঘ জিঞ্জাসাবাদের পরে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানের সময় তার কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন ও কিছু সিমকার্ড করা হয়েছে।

ধৃত অভিযুক্তকে ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতায় আনা হয়। পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আদালত তাকে ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের রাখার নির্দেশ দিয়েছে। পুলিশের অনুমান, এই প্রতারণা চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত থাকতে পারে। সেটাই তদন্ত করে দেখছে সাইবার বিভাগের গোয়েন্দারা।


Share