Ticket Booking App

আর আলাদা অ্যাপ নয়! রেল ওয়ান-এই টিকিট, লাইভ স্ট্যাটাস, খাবার অর্ডার- ডিজিটাল পেমেন্টে মিলবে ছাড়

রেলের তরফে জানানো হয়েছে, ডিজিটাল পরিষেবাকে আরও সহজ ও উন্নত করতে একাধিক অ্যাপের পরিবর্তে সব সুবিধা একটি প্ল্যাটফর্মে আনা হচ্ছে। বর্তমানে সাধারণ (জেনারেল) ও প্ল্যাটফর্ম টিকিট কাটার জন্য ব্যবহৃত ইউটিএস অ্যাপটি ১ মার্চ থেকে আর কাজ করবে না। একইসঙ্গে রিজার্ভেশন টিকিটের জন্য ব্যবহৃত আইআরসিটিসি রেল কানেক্ট-সমেত আলাদা অ্যাপ রাখার প্রয়োজনও আর পড়বে না।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৫:০০

১ মার্চ, ২০২৬ থেকে টিকিট বুকিং ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে চলেছে ভারতীয় রেল। রেলযাত্রীদের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খবর, কারণ দীর্ঘদিনের পরিচিত ইউটিএস অ্যাপ চিরতরে বন্ধ হতে চলেছে। তার পরিবর্তে চালু করা হচ্ছে নতুন সুপার অ্যাপ ‘রেলওয়ান’, যেখানে একসঙ্গেই মিলবে সমস্ত পরিষেবা।

রেলের তরফে জানানো হয়েছে, ডিজিটাল পরিষেবাকে আরও সহজ ও উন্নত করতে একাধিক অ্যাপের পরিবর্তে সব সুবিধা একটি প্ল্যাটফর্মে আনা হচ্ছে। বর্তমানে সাধারণ (জেনারেল) ও প্ল্যাটফর্ম টিকিট কাটার জন্য ব্যবহৃত ইউটিএস অ্যাপটি ১ মার্চ থেকে আর কাজ করবে না। একইসঙ্গে রিজার্ভেশন টিকিটের জন্য ব্যবহৃত আইআরসিটিসি রেল কানেক্ট-সমেত আলাদা অ্যাপ রাখার প্রয়োজনও আর পড়বে না। রেলওয়ান অ্যাপেই রিজার্ভেশন, জেনারেল এবং প্ল্যাটফর্ম টিকিট-সব ধরনের টিকিট পাওয়া যাবে।

সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, নতুন করে রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন নেই। যাত্রীরা তাঁদের বর্তমান ইউটিএস বা আইআরসিটিসি আইডি দিয়েই রেলওয়ান-এ লগ-ইন করতে পারবেন। ফলে পুরনো ব্যবহারকারীদের কোনও অতিরিক্ত ঝামেলায় পড়তে হবে না।

নতুন এই অ্যাপটি শুধু টিকিট বুকিংয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জেনারেল, রিজার্ভেশন ও প্ল্যাটফর্ম টিকিট দ্রুত বুক করার পাশাপাশি ট্রেনের লাইভ স্ট্যাটাস এবং সম্ভাব্য প্ল্যাটফর্ম নম্বরও সরাসরি অ্যাপে দেখা যাবে। যাত্রীরা ট্রেনে বসেই পছন্দের খাবার অর্ডার করতে পারবেন। ইউটিএস অ্যাকাউন্টে থাকা আর-ওয়ালেট ব্যালান্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেলওয়ান-এ স্থানান্তরিত হবে বলেও জানানো হয়েছে। এছাড়া, এই অ্যাপের মাধ্যমে ডিজিটাল পেমেন্ট করে জেনারেল টিকিট কাটলে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত ৩ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

১ মার্চ থেকে টানা কম্পনের পর ফের ভূমিকম্প সিকিমে অ্যাপে জেনারেল টিকিট কাটার পদ্ধতিও সহজ রাখা হয়েছে। অ্যাপ খুলে ‘জার্নি প্ল্যানার’ অপশনে গিয়ে ‘আনরিজার্ভড’ নির্বাচন করতে হবে। এরপর যাত্রার শুরু ও গন্তব্য স্টেশনের নাম লিখলেই হবে। ফোনের জিপিএস চালু থাকলে অ্যাপ নিজেই নিকটবর্তী স্টেশন শনাক্ত করে নেবে। তারপর ট্রেনের ধরন বেছে নিয়ে তথ্য যাচাই করে পেমেন্ট সম্পন্ন করতে হবে। টিকিট ‘মাই টিকিটস’ সেকশনে দেখা যাবে এবং প্রয়োজন হলে পিডিএফ হিসেবেও ডাউনলোড করা যাবে।

এক ছাতার তলায় সমস্ত ডিজিটাল পরিষেবা এনে যাত্রীদের আরও সহজ ও আধুনিক পরিষেবা দেওয়াই রেলের মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।


Share