Special Intensive Rivision

চূড়ান্ত তালিকা থেকে নাম বাদ! ১৫ দিনের মধ্যে ফের সুযোগ দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর সূত্রে খবর, সামনে বিধানসভা নির্বাচন থাকায় ভোটের আগে নাম তুলতে হলে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে। নতুন ভোটার হিসেবে প্রথমবার নাম তুলতে চাইলে আবেদনের শেষ তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি।

নির্বাচন কমিশন
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:১০

চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম থাকবে না, তাঁরা তালিকা প্রকাশের পরেই নাম তোলার জন্য আবেদন করতে পারবেন, এমনই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, কোনও ভোটারের নাম বাদ পড়লে তিনি প্রথমে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক এবং পরে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে লিখিতভাবে আবেদন জানিয়ে নাম তোলার সুযোগ পাবেন।

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর সূত্রে খবর, সামনে বিধানসভা নির্বাচন থাকায় ভোটের আগে নাম তুলতে হলে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে। নতুন ভোটার হিসেবে প্রথমবার নাম তুলতে চাইলে আবেদনের শেষ তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি।

এদিকে মঙ্গলবার দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘আমরা এক ইঞ্চি জমি ছাড়ব না। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যাব।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘নাম বাদ গেলে প্রভাব তো পড়বেই। তবে তা নিয়ে লড়াই হবে। আমাদের কী রণকৌশল হবে, তা পরে জানানো হবে।’’

গত ২৭ অক্টোবর এসআইআরের সূচি ঘোষণা করেছিল কমিশন। তখন রাজ্যে মোট ভোটার ছিলেন সাত কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯ জন। খসড়া তালিকায় নাম রয়েছে সাত কোটি আট লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩১ জনের, ফলে বাদ পড়েছে ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৮ জনের নাম। কমিশনের মতে, মৃত, স্থানান্তরিত, নিখোঁজ ও ভুয়ো ভোটারদের নামই মূলত বাদ গিয়েছে। পাশাপাশি ৫৭ হাজার ৬০৪ জন এনুমারেশন ফর্ম জমা না দেওয়ায় তাঁদের নামও ওই বাদ পড়া তালিকায় রয়েছে।

যাঁরা এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করেননি, তাঁদের নতুন করে আবেদন করতে হবে। সে ক্ষেত্রে ফর্ম ৬-এর সঙ্গে আরও একটি আলাদা ফর্ম জমা দিতে হবে, যা এনুমারেশন ফর্মের মতোই। সেখানে ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে যোগসূত্রের তথ্য জানাতে হবে।

আগে নাম তোলার সময় জন্ম তারিখের প্রমাণপত্র ও অভিভাবকের ভোটার কার্ডের তথ্য দিতে হত। এবার নিয়ম আরও কঠোর হয়েছে। নতুন আবেদনকারীদের ফর্ম ৬-এর সঙ্গে অতিরিক্ত ফর্মে জানাতে হবে, ২০০২ সালের তালিকায় তাঁদের নাম ছিল কি না। না থাকলে বাবা-মা বা দাদা-দিদিমার মধ্যে কারও নাম ২০০২ সালের তালিকায় থাকলে সেই তথ্য দিতে হবে। এনুমারেশন ফর্মে আধার নম্বর দেওয়ার সুযোগ থাকলেও নতুন এই ফর্মে সেই অংশ রাখা হয়নি।


Share