CAB Election

সিএবির নির্বাচন সংক্রান্ত নথি জালিয়াতি মামলায় ইডেনে গেল পুলিশ, চিঠি বিতরণ বিভাগের কর্মীকে ময়দান থানায় তলব

মঙ্গলবার সকাল ১১টা নাগাদ সিএবিতে ময়দান থানার ওসি এবং অতিরিক্ত ওসির নেতৃত্বে একটি দল সিএবিতে গিয়েছিল। পুলিশ সূত্রের খবর, তাঁরা সিএবির কিছু অনুমোদিত ক্লাবের কর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। মনোনয়নপত্র বিলি নিয়ে যে অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে, সেই মামলায় তদন্ত পুলিশ শুরু করেছে।

ইডেন গার্ডেন্স।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৮:১৫

বাংলা ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থার (সিএবি)-র নির্বাচন সংক্রান্ত জালিয়াতি মামলায় চিঠি বিতরণের দায়িত্বে থাকা এক কর্মীকে তলব করল কলকাতা পুলিশ। বুধবার সকাল ১১টার সময় ময়দান থানায় তলব করা হয়েছে। টিকিট জালিয়াতি মায়লায় কয়েকটি অনুমোদিত ক্লাবের প্রতিনিধিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রের জানা গিয়েছে। এ ছাড়াও, এক ক্যুরিয়ার সংস্থার কয়েক জন আধিকারিকেরও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১১টা নাগাদ সিএবিতে ময়দান থানার ওসি এবং অতিরিক্ত ওসির নেতৃত্বে একটি দল সিএবিতে গিয়েছিল। পুলিশ সূত্রের খবর, তাঁরা সিএবির কিছু অনুমোদিত ক্লাবের কর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। মনোনয়নপত্র বিলি নিয়ে যে অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে, সেই মামলায় তদন্ত পুলিশ শুরু করেছে। সেই মামলাতেই পুলিশের স্কানারে রয়েছে সিএবির চিঠি বিতরণ বিভাগের কয়েক জন কর্মী। তাঁদের মধ্যেই এক জনকে ময়দান থানায় তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

গত কয়েক দিন আগে ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউটের সদস্য গৌতম দে সিএবির কয়েক জন কর্তা এবং জিটিডিসি ক্যুরিয়র সংস্থার বিরুদ্ধে ময়দান থানায় অভিযোগ করেছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করে। অভিযোগ, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর সিএবির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) হওয়ার কথা। সেখানেই সংস্থার সচিব, যুগ্মসচিব এবং অ্যাপেক্স কাউন্সিলের একটি পদে নির্বাচন হওয়ার কথা। অভিযোগে বলা হয়েছে, নির্বাচন সংক্রান্ত নথি পাঠানোর যে ক্যুরিয়ার রেকর্ড, সেখানে কারচুপি ও জালিয়াতি করা হয়েছে।

তাঁর বক্তব্য, ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট, ওয়াইএমসিএ, ফ্রেন্ডস স্পোর্টিং-সহ পাঁচটি ক্লাবের ভোটারদের যে মনোনয়নপত্র পাঠানো হয়েছে, তা অন‍্য ঠিকানায়। পরিচালন সমিতির সদস‍্যরা সেই সমস্ত মনোনয়নপত্র তুলে নিয়েছেন। এই পাঁচটি ক্লাবে নথি পাঠানোর ক্ষেত্রে ওই ক্যুরিয়র সংস্থার কনসাইনমেন্ট নম্বরের কোনও ‘ট্র্যাকিং হিস্ট্রি’ ছিল না। পাঁচটি পৃথক বুকিং রসিদের বদলে একটিমাত্র রসিদ তৈরি করা হয়েছিল। খাতায়কলমে সঠিক ব‍্যক্তিদের কাছেই এই মনোনয়নপত্র পাঠানো কিন্তু দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সূত্রের খবর, যে ডিটিডিসি নামে ওই ক্যুরিয়ার সংস্থার ব্র্যান্ড অ‍্যামবাসেডর সৌরভ গঙ্গোপাধ‍্যায়। গৌতম দে-র আরও দাবি, সিএবির কয়েক জন কর্তা এবং ক্যুরিয়ার সংস্থা ভোটকে প্রহসনে পরিণত করতে এই ষড়যন্ত্র করেছে। পুলিশ তা নিয়েই তদন্ত শুরু করে দিয়েছে। আগামীকাল এক কর্মীকে ডেকে পাঠানো হল।


Share