Dharmatala Traffic

পুজোর মরসুমে ধর্মতলায় ‘জ‍্যামযট’, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে গতি কমল শহরের, দেখা নেই ট্রাফিক পুলিশের

যেদিকে সাধারণ মানুষদের হাঁটাচলার ব্যবস্থা করে ব্যারিকেড দেওয়া রয়েছে সেদিকেও খাওয়ারের দোকান দিয়েছেন বিক্রেতারা। নিউ মার্কেট থেকে প্রস্থানের দরজায় পুলিশ থাকলেও তাঁরাও কার্যত থমকে। তাঁরা যানজট নিয়ন্ত্রণ না করে বসেই রয়েছেন।

রাস্তায় ওপরেই দাঁড়িয়ে রয়েছে ট‍্যাক্সি।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ০৭:৪৪

পুজোর মরসুমে শহরতলি থেকে মানুষ নিউ মার্কেটগামী হয়েছে। তার ওপর সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে ‘জ‍্যামযট’-এ অতিষ্ঠ মানুষ মানুষ।

সোমবার দুপুরের আদালত চত্বরে ডিম ছোড়ার প্রতিবাদে আইনজীবীরা মিছিল করে। এর জেরে দুপুর থেকেই জনজীবন স্তব্ধ হয়ে যায় কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলায়। ডোরিনা ক্রসিংকে কেন্দ্র করে যে কটি রাস্তা রয়েছে সারি দিয়ে গাড়ি দাঁড়িয়ে পড়ে। হাওড়াগামী স্ট্যান্ড রোডও ছবিটা একই ছিল।

যে যানজট দুপুর থেকে ছিল, তার রেশ সন্ধ‍্যা পর্যন্ত কাটেনি। ধর্মতলায় যানজট নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব যাঁদের কাঁধে রয়েছে তাঁদের কার্যত দেখা নেই। ডোরিনা ক্রসিংয়ের মতো জায়গায় একটিও ট্রাফিক পুলিশ নেই। চৌরঙ্গি রোডের দু’পাশে রয়েছে পার্কিং। তার পরেও ট‍্যাক্সি আর বাইক সারি দিয়ে পুলিশের নির্ধারিত সীমানার বাইরে গিয়ে রাস্তার ওপরেই দাঁড়িয়ে রয়েছে। পুজোর মরসুমে নিউ মার্কেটগামী মানুষ চলাচলের জন্য পৃথক ভাবে ব‍্যারিকেড করা হয়েছে। তা উপেক্ষা করেই মানুষ ঝুঁকির পারাপার করছে। কোথাও আবার রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে বাস প‍্যাসেঞ্জার তুলছে। গ্রান্ড হোটেলের নীচে নিউ মার্কেটের প্রবেশপথে দু’জন সিভিক ভলান্টিয়ার কার্যত অসহায়ের মতো দাঁড়িয়ে রয়েছে। নেই একটিও ট্রাফিক পুলিশ।

এই বিষয়ে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের ডেপুটি কমিশনার সম্ভব জৈন বলেন, ‘আমি বিষয়টি দেখে নিচ্ছি।’

এই যানজটের সমস্যার কারণে অসুবিধায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। চৌরঙ্গির মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা দীর্ঘক্ষণ ধরে রাস্তা পারাপারের চেষ্টা করছেন। কিন্তু সিগন্যাল পড়লেও মাঝেমধ্যেই অন্য দিক দিয়ে বাস ঢুকে পড়ার কারণে তাঁরা রাস্তা পেরোতে পারছেন। নিউ মার্কেটে বাজার করতে আসা মানুষেরাও কেনাকাটা করতে সমস্যায় পড়ছেন।

পাশাপাশি, যেদিকে সাধারণ মানুষদের হাঁটাচলার ব্যবস্থা করে ব্যারিকেড দেওয়া রয়েছে সেদিকেও খাওয়ারের দোকান দিয়েছেন বিক্রেতারা। নিউ মার্কেট থেকে প্রস্থানের দরজায় পুলিশ থাকলেও তাঁরাও কার্যত থমকে। তাঁরা যানজট নিয়ন্ত্রণ না করে বসেই রয়েছেন।


Share