Nabanna

মাদ্রাসাগুলিকে কী ভাবে নথিভুক্ত করা হয়েছে? সমস্ত জেলাশাসকের কাছে রিপোর্ট চাইল রাজ্য সরকার

সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের তরফে জারি হওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রশাসনিক পরিকল্পনা ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই সমীক্ষা চালানো হচ্ছে।

নবান্ন
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬ ১০:৩৮

রাজ্যের সমস্ত মাদ্রাসার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহে উদ্যোগী হল রাজ্য সরকার। এ বিষয়ে সব জেলার জেলাশাসকদের আগামী ৫ জুলাইয়ের মধ্যে জেলা-ভিত্তিক রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের তরফে জারি হওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রশাসনিক পরিকল্পনা ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই সমীক্ষা চালানো হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতিটি মাদ্রাসার অবস্থান, প্রতিষ্ঠার সাল, নথিভুক্তির অবস্থা, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র, ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর সংখ্যা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। পাশাপাশি মাদ্রাসাটি আবাসিক কি না, সরকারি বা বেসরকারি সহায়তাপ্রাপ্ত কি না এবং সেখানে কী ধরনের পাঠক্রম চালু রয়েছে, সেই তথ্যও রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

রাজ্য সরকারের দাবি, মাদ্রাসা শিক্ষার পরিকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং প্রতিষ্ঠানগুলির রক্ষণাবেক্ষণের স্বার্থেই এই তথ্যভান্ডার তৈরি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কোনও মাদ্রাসায় অনিয়ম বা বেআইনি কার্যকলাপ চলছে কি না, তাও এই সমীক্ষার মাধ্যমে চিহ্নিত করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে প্রশাসন। অনিয়ম ধরা পড়লে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

তবে সরকার স্পষ্ট করেছে, এই সমীক্ষার ভিত্তিতে কোনও মাদ্রাসার পঠনপাঠন বন্ধ করা হবে না কিংবা ছাত্র-ছাত্রীদের উপর কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। বর্তমানে যেভাবে শিক্ষাদান চলছে, তা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, এর আগে রাজ্যের মাদ্রাসাগুলিতে প্রতিদিনের প্রার্থনা সভায় বাধ্যতামূলকভাবে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার নির্দেশ জারি করেছিল মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর। গত ১৯ মে প্রকাশিত সেই নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, বিদ্যালয়ের অ্যাসেম্বলি বা প্রার্থনার সময় জাতীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক হবে।


Share