Nabanna

পুজোর ভিড়েই ফুলেফেঁপে উঠল হোটেল-রেস্তরাঁর ব্যবসা! সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে মাসিক লেনদেন ১ হাজার কোটি, জিএসটি আদায়ে বড় সাফল্য রাজ্যের

গত বছরের তুলনায় এই খাতে কর আদায়ের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৩৫ শতাংশ। শুধু তাই নয়, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে হোটেল ও রেস্তোরাঁ পরিষেবা থেকে মাসিক জিএসটি আদায় ১০০ কোটি টাকার গণ্ডি ছাড়িয়েছে।

নবান্ন।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০২ নভেম্বর ২০২৬ ০৩:৫০

পুজোর মরশুমে রাজ্যের হোটেল ও রেস্তরাঁ ব্যবসায় বড়সড় বৃদ্ধি। তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে পশ্চিমবঙ্গের জিএসটি আদায়েও। দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে হোটেল ও রেস্তোরাঁ পরিষেবা থেকে রাজ্যের কোষাগারে এসেছে প্রায় ৬০ কোটি টাকা জিএসটি। গত বছরের তুলনায় এই খাতে কর আদায়ের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৩৫ শতাংশ। শুধু তাই নয়, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে হোটেল ও রেস্তরাঁ পরিষেবা থেকে মাসিক জিএসটি আদায় ১০০ কোটি টাকার গণ্ডি ছাড়িয়েছে।

নবান্ন সূত্রে খবর, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে রাজ্যের হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায় মাসিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৬৫০ কোটি টাকা। কিন্তু চলতি বছরের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে সেই অঙ্ক একলাফে বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকায়। অর্থাৎ আগের অর্থবর্ষের মাসিক গড়ের তুলনায় পুজোর মরশুমে প্রতি মাসে ব্যবসা বেড়েছে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা। শতাংশের হিসেবে বৃদ্ধির হার প্রায় ৫৪ শতাংশ।

দুর্গাপুজোর দিনগুলিতে কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় হোটেল ও রেস্তরাঁয় ভিড় বাড়ে। মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরে ঠাকুর দেখা, পরিবারের সঙ্গে বাইরে খাওয়াদাওয়া, বন্ধুদের নিয়ে রেস্তরাঁয় সময় কাটানো এবং ভিনরাজ্য ও বিদেশ থেকে আসা পর্যটকদের আনাগোনায় চাঙ্গা হয়ে ওঠে এই ব্যবসা। এবারের পরিসংখ্যানেও তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

তবে এই পরিসংখ্যানের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হল জিএসটি আদায়ের বৃদ্ধি। শুধুমাত্র দুর্গাপুজোর সময়েই এই খাত থেকে প্রায় ৬০ কোটি টাকা কর আদায় হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩৫ শতাংশ বেশি। অর্থাৎ উৎসবের মরশুমে হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবসার প্রসারের পাশাপাশি রাজ্যের কর আদায়েও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। উল্লেখ্য, এই হিসাবের মধ্যে মদ বিক্রি থেকে হওয়া আয় ধরা হয়নি। শুধুমাত্র হোটেল ও রেস্তোরাঁ পরিষেবার লেনদেন এবং জিএসটি আদায়ের পরিসংখ্যানই বিবেচনা করা হয়েছে।


Share