Assembly Election

গণনার আগে উত্তপ্ত বিধাননগর, স্ট্রং-রুম ঘিরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর হস্তক্ষেপে নিয়ন্ত্রণে পরিস্থিতি

সূত্রের খবর, শনিবার রাতে প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। স্লোগান-পাল্টা স্লোগানে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই তা হাতাহাতিতে গড়ায়।

বিধাননগরে স্ট্রং-রুমের সামনে অশান্তি
নিজস্ব সংবাদদাতা, বিধাননগর
  • শেষ আপডেট: ০৩ মে ২০২৬ ১২:৩০

গণনার আগে স্ট্রং-রুম ঘিরে উত্তেজনায় তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি। এ বার বিধাননগর কলেজের স্ট্রং-রুমকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা সামনে এল। সূত্রের খবর, শনিবার রাতে প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। স্লোগান-পাল্টা স্লোগানে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই তা হাতাহাতিতে গড়ায়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়। মাইকিং করে ভিড় ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়। পরে ব্যারিকেড করে দুই পক্ষকে আলাদা করে দেওয়া হয়, যাতে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে না যায়।

বিজেপির অভিযোগ, তাদের তৈরি ক্যাম্পে তৃণমূল কর্মীরা দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেয়, যার জেরে বিবাদ শুরু হয়। অন্যদিকে তৃণমূল পাল্টা অভিযোগ তুলেছে বিজেপির বিরুদ্ধে, পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী তাঁদের উপর লাঠিচার্জ করেছে। এই ঘটনাকে ঘিরে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।

এদিকে গণনার আগে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন গণনাকেন্দ্রে। পূর্ব মেদিনীপুরে চারটি গণনাকেন্দ্রকে প্রশাসন ‘নো ফ্রাইং জোন’ ঘোষণা করেছে। সেখানে বাজি ফাটানো বা বিজয় মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি গণনাকেন্দ্রের আশপাশে জারি করা হয়েছে ১৬৩ ধারা, এবং জেলা জুড়ে চলছে পুলিশের মাইকিং।

অন্য দিকে, স্ট্রং-রুম ও গণনা প্রক্রিয়া নিয়ে যাতে কোনও বিতর্ক না তৈরি হয়, সে জন্য মালদহে শনিবার সর্বদলীয় বৈঠক করেন জেলা শাসক। প্রার্থীদের গণনাকেন্দ্র ও স্ট্রং-রুম ঘুরিয়ে দেখানো হয়। সূত্রের খবর, কোনও দলের পক্ষ থেকেই উল্লেখযোগ্য অভিযোগ ওঠেনি। মালদহ কলেজ ও মালদহ পলিটেকনিক কলেজে গণনা কেন্দ্র করা হয়েছে, যেখানে সোমবার ৪ মে জেলার ১২টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটগণনা হবে।


Share