Special Intensive Rivision

রাজ‍্যের বেশ কয়েকটি বিধানসভায় শুনানি কাজ প্রায় শেষ, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ হবে শুনানি, আশাবাদী নির্বাচন কমিশন

কমিশন সূত্রের খবর, এসআইআর-এর আওতায় নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তি, মৃত ভোটারের নাম বাদ দেওয়া, ঠিকানা সংশোধন এবং একই ব্যক্তির একাধিক জায়গায় নাম থাকলে তা বাতিল করার কাজ সমান্তরাল ভাবে চলছে।

সিইও অফিস
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:০৭

সারা রাজ্য জুড়ে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। এ বার নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই অধিকাংশ জেলায় শুনানির কাজ প্রায় শেষ হয়ে আসায় এই প্রক্রিয়ার সময়সীমা বাড়ানোর সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুনানির শেষ দিন। সব কিছু পরিকল্পনা মতো চললে ১৪ ফেব্রুয়ারিতেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে।

কমিশন সূত্রের খবর, এসআইআর-এর আওতায় নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তি, মৃত ভোটারের নাম বাদ দেওয়া, ঠিকানা সংশোধন এবং একই ব্যক্তির একাধিক জায়গায় নাম থাকলে তা বাতিল করার কাজ সমান্তরাল ভাবে চলছে।

উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাট এবং ফালাকাটা বিধানসভা কেন্দ্রে শুনানির কাজ কার্যত শেষের পথে। এই দুই কেন্দ্রে নির্ধারিত সময়ের আগেই এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কমিশনের দাবি, কোনও বড় আপত্তি বা জটিলতা ছাড়াই সুষ্ঠুভাবে এই কাজ শেষ করা সম্ভব হয়েছে।

দক্ষিণবঙ্গেও একই ছবি ধরা পড়ছে। বালিগঞ্জ, ভবানীপুর, বসিরহাট এবং কলকাতা বন্দর বিধানসভা এলাকায় শুনানির কাজ প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। যদিও ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় হাতে রয়েছে, তবু প্রশাসনিক স্তরে দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন কমিশনের এক শীর্ষ আধিকারিক।

এসআইআর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রতিটি জেলার ডিইও, ইআরও এবং বিশেষ রোল অবজারভারদের মাধ্যমে ‘সুপার চেকিং’ করা হচ্ছে। সন্দেহজনক এন্ট্রি, একই নামের একাধিক ভোটার বা ঠিকানা সংক্রান্ত গরমিলের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত যাচাই চালানো হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে নিবিড় সংশোধনের মূল লক্ষ্যই হল স্বচ্ছ ও নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি করা।

সব মিলিয়ে কমিশনের দাবি, রাজ্য জুড়ে এসআইআর-এর কাজ সন্তোষজনক গতিতেই এগোচ্ছে। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই শুনানি শেষ করে ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের প্রস্তুতি প্রায় সম্পূর্ণ। যদি শেষ মুহূর্তে কোনও বড় প্রশাসনিক বা আইনি জটিলতা না তৈরি হয়, তবে সময়সীমা বাড়ানোর কোনও প্রয়োজন হবে না বলেই মনে করছে নির্বাচন কমিশন।


Share