Manas Bhunia

চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে পাঁচ লক্ষ টাকা নেওয়ার অভিযোগ! গ্রেফতারির আশঙ্কায় হাই কোর্টের দ্বারস্থ প্রাক্তন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া

অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই মানসের অবস্থান নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। এর মধ্যেই তিনি আদালতের শরণাপন্ন হলেন। এর আগে একই ধরনের আইনি সুরক্ষার আবেদন নিয়ে আদালতে গিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও ইন্দ্রনীল সেনের মতো নেতারাও।

গ্রেফতারির আশঙ্কায় হাই কোর্টের দ্বারস্থ প্রাক্তন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬ ০৩:৪৪

নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে এ বার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন প্রাক্তন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া। গ্রেফতারি বা কোনও কড়া পদক্ষেপ থেকে আইনি সুরক্ষা চেয়ে বুধবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে আবেদন জানান তিনি। সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগে পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই মানসের অবস্থান নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। এর মধ্যেই তিনি আদালতের শরণাপন্ন হলেন। এর আগে একই ধরনের আইনি সুরক্ষার আবেদন নিয়ে আদালতে গিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও ইন্দ্রনীল সেনের মতো নেতারাও।

সবংয়ের সাতবারের বিধায়ক মানস ভুঁইয়া দীর্ঘদিন রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ মুখ ছিলেন। কংগ্রেসে থাকার সময় যেমন প্রভাবশালী ছিলেন, তেমনই তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পরেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। তবে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়তে থাকে। গত ১৩ জুন তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার ঘোষণা করেন এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠান। পাশাপাশি দলের প্রাথমিক সদস্যপদও ত্যাগ করেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, সবংয়ের তেমাথানি ইরিগেশন বাংলোয় তত্ত্বাবধায়কের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক মহিলার কাছ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। অভিযোগকারীদের দাবি, চাকরি পাওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতাচ্যুত হলে ওই মহিলাকে চাকরি থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। ফলে আর্থিক ও সামাজিকভাবে চরম সমস্যার মুখে পড়েছে তাঁর পরিবার। কেন টাকার বিনিময়ে চাকরি পাওয়ার মাত্র দু’মাসের মধ্যে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ওই মহিলা ও তাঁর পরিবার। বিচার চেয়ে সবং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মহিলার স্বামী বিকাশকুমার টুং।


Share