Fire Incident

বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটের প্লাইউডের দোকানে আগুন, ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন

এক দমকল কর্মী জানিয়েছেন, “দোকানগুলি বিভিন্ন জিনিসপত্রে ঠাসা। সেই কারণে হোসপাইপ দিয়ে জল ছড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে দ্রুততার সঙ্গে আগুনের উৎসস্থল খোঁজার কাজ চলছে।”

বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটে প্লাইউডের দোকানে আগুন।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:৩৩

কলকাতায় ফের অগ্নিকাণ্ড। বুধবার সকালে বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটের একটি প্লাইউডের দোকানে আগুন লেগেছে। আগুন আশেপাশের দোকানেও ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাস্থলে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন পৌঁছেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ চলছে।

সকাল ১১টা নাগাত আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। দোকানে থাকা কর্মীরা আগুনের ফুলকি দেখে আতঙ্কিত হয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। দোকানের অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র নিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন তাঁরা। কিন্তু আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল। যে আবাসনের নীচে যে দোকানে আগুন লেগেছে, সেখানে আরও দু’টি দোকান রয়েছে। সেখানেও আগুন ছড়িয়ে পড়েছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। তাঁরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন। এক ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও আগুনের উৎসস্থলে পৌঁছোতে পারেননি। তবে আবাসনেও আগুন ছড়িয়ে পড়েছে বলে দাবি করেছেন। আবাসনের বাসিন্দাদের বাইরে নিরাপদে বের করে আনা হয়েছে। দোকানের পিছনে একটি গুদাম রয়েছে। সেখানেও আগুন ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। দমকল কর্মীরা বাইরে থেকে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে।

এলাকাটি ঘিঞ্জি হওয়ায় দমকল কর্মীদের আগুন নেভানোর কাজে বেগ পেতে হচ্ছে। হেয়ার স্ট্রিট এবং বউবাজার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তাঁরা এলাকাটি ঘিরে রেখেছে। ওই রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। রাস্তায় যানজট সৃষ্টি হয়েছে। ওই রাস্তায় গাড়ি ঘুরপথে চলাচল করছে।

দোকানের এক কর্মীর কথায়, ‘‘আমরা কাঠের কাজ করছিলাম। আচমকাই দোকানের ভিতর থেকে ধোঁয়া বার হতে দেখি। প্রথমে ভয় পেয়ে দোকানের বাইরে চলে আসি। পরে দেখি দোকানের উপরে একটি টিনের অংশ দাউদাউ জ্বলছে। আমরা কয়েক জন মিলে আগুন নেবানোর চেষ্টা করি। অন্যেরা দোকানে থাকা আসবাবগুলি বাইরে বার করে আনি।’’

কী ভাবে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দোকানগুলিতে কাঠ, প্লাস্টিক, রাসায়নিক-সহ বহু দাহ্যপদার্থ ছিল। তাই আগুন ছড়ায়। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, দমকল দ্রুততার সঙ্গে আগুননিয়ন্ত্রণের কাজ করছে না। ফলে আগুন বেশি ছড়িয়ে পড়ছে। এক দমকল কর্মী জানিয়েছেন, দোকানগুলি বিভিন্ন জিনিসপত্রে ঠাসা। সেই কারণে হোসপাইপ দিয়ে জল ছড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। তবেদ্রুততার সঙ্গে আগুনের উৎসস্থল খোঁজার কাজ চলছে।


Share