Agnimitra Paul

নোংরা করলেই গুনতে হবে টাকা! পুর এলাকায় থুতু ফেললে ১০০, প্রস্রাব ও প্লাস্টিক ব্যবহারে ২০০ টাকা জরিমানার ঘোষণা

মন্ত্রী জানান, পুর আইনের বিধান অনুযায়ী প্রকাশ্যে থুতু ফেললে ১০০ টাকা এবং যত্রতত্র প্রস্রাব করা বা প্লাস্টিক ব্যবহার করে ফেললে ২০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে।

পুর ও নগরোয়ন্ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২০ জুন ২০২৬ ১২:২৩

নোংরা-আবর্জনা রুখতে এ বার কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্যের সমস্ত পুর এলাকায় যত্রতত্র থুতু ফেলা, প্রকাশ্যে প্রস্রাব করা কিংবা প্লাস্টিক ব্যবহার করে ফেলে দেওয়ার মতো কাজের জন্য জরিমানা করা হবে। শুক্রবার সল্টলেকের নগর উন্নয়ন ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে এই ঘোষণা করেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

মন্ত্রী জানান, পুর আইনের বিধান অনুযায়ী প্রকাশ্যে থুতু ফেললে ১০০ টাকা এবং যত্রতত্র প্রস্রাব করা বা প্লাস্টিক ব্যবহার করে ফেললে ২০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। দোকানের সামনে আবর্জনা ফেলে রাখলেও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্য, রাস্তা ও ফুটপাত কোনও ব্যক্তির ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, তাই সেগুলি পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব সকল নাগরিকের।

নাগরিক পরিষেবা আরও দ্রুত ও সহজলভ্য করতে এ দিন ১৮০০-৩৪৫-০৯৩৮ নম্বরের একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন চালুর ঘোষণাও করা হয়। আপাতত সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত পরিষেবা মিলবে। তবে খুব শীঘ্রই সেটিকে ২৪ ঘণ্টার পরিষেবায় রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে। রাজ্যের যে কোনও প্রান্তের মানুষ এই নম্বরে ফোন করে নিজেদের সমস্যার কথা জানাতে পারবেন।

শুক্রবারের ভারী বৃষ্টিতে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় জল জমার প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী। তিনি জানান, জলনিকাশি ব্যবস্থাকে সচল রাখতে কলকাতা পুরসভা এবং সেচ দফতর যৌথভাবে কাজ করছে। বর্তমানে ৩৯টি পাম্প চালু রয়েছে। অতিরিক্ত ৩৪টি পাম্প ভাড়া করা হয়েছে এবং আরও ৫০টি পাম্প আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া, রাজস্ব ফাঁকি রোধে পার্ক স্ট্রিট, ক্যামাক স্ট্রিট এবং থিয়েটার রোড এলাকায় ধাপে ধাপে ডিজিটাল হোর্ডিং চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। লাউডন স্ট্রিট ও বর্ধমান মার্কেট এলাকায় ইতিমধ্যেই সেই ব্যবস্থা কার্যকর হয়েছে। পাশাপাশি সৌরশক্তিচালিত আধুনিক ডিজিটাল বাসস্ট্যান্ড তৈরির পরিকল্পনাও ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে মোবাইল চার্জিংয়ের সুবিধার পাশাপাশি শিশুদের খাওয়ানোর জন্য পৃথক কক্ষ রাখার ব্যবস্থাও থাকবে।


Share