Special Intensive Rivision

শুক্রবারের মধ‍্যে বকেয়া শুনানির নথি আপলোড করবে নির্বাচন কমিশন, হাই কোর্টে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠকে সিদ্ধান্ত

ঝাড়খণ্ড এবং ওড়িশা থেকে যে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকেরা আসবেন, তাঁদের আবাসন ও খাবারের ব্যবস্থাও বৈঠকে চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এ ছাড়া, ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জমা পড়লেও এখনও আপলোড না-হওয়া নথিগুলি বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের মধ্যে কমিশন আপলোড করবে।

কলকাতা হাই কোর্ট
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:১৮

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) ঘিরে জটিলতা নিরসনে বৃহস্পতিবার ফের বৈঠকে বসলেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। প্রায় দেড় ঘণ্টার এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল, রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযূষ পাণ্ডে, কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার এবং স্পেশাল রোল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত।

সূত্রের খবর, বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে ২১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ বা তথ্যগত অসঙ্গতি নিয়ে যে সংখ্যা জানানো হয়েছিল, সেটিকেই চূড়ান্ত হিসেবে ধরা হবে। কমিশনের পক্ষ থেকে সেই চূড়ান্ত সংখ্যা বৃহস্পতিবারই প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি, সন্ধ্যার মধ্যেই রাজ্যের বাকি বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের অফিসারদের লগ-ইন আইডি তৈরি করে দেওয়ার সিদ্ধান্তও হয়েছে।

ঝাড়খণ্ড এবং ওড়িশা থেকে যে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকেরা আসবেন, তাঁদের আবাসন ও খাবারের ব্যবস্থাও বৈঠকে চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এ ছাড়া, ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জমা পড়লেও এখনও আপলোড না-হওয়া নথিগুলি বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের মধ্যে কমিশন আপলোড করবে। বৈঠকে আরও স্থির হয়েছে, বিধানসভা ভিত্তিক বিচারবিভাগীয় অফিসারদের কাজের দৈনিক রিপোর্ট কমিশন থেকে কলকাতা হাই কোর্টে পাঠানো হবে।

তবে ঝাড়খণ্ড এবং ওড়িশা থেকে বিচার বিভাগীয় অফিসারেরা ঠিক কবে আসবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সূত্রের দাবি, সংশ্লিষ্ট দুই রাজ্যের হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতিরা এখনও এ বিষয়ে কলকাতা হাই কোর্টকে আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু জানাননি।

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরের শেষ পর্যায়ের কাজের একটি বড় অংশ বিচার বিভাগের হাতে তুলে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। গত শুক্রবারের শুনানিতে শীর্ষ আদালত জানায়, এসআইআর প্রক্রিয়ায় চিহ্নিত তথ্যগত অসঙ্গতির ঘটনাগুলির নিষ্পত্তি করবেন কলকাতা হাই কোর্ট মনোনীত আধিকারিকেরা।

এর পরই শনিবার বিকেলে প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের নেতৃত্বে বৈঠক হয়। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকে প্রতি বিধানসভার জন্য এক জন করে বিচার বিভাগীয় অফিসার নিয়োগের প্রস্তাব দেয় কমিশন। বিধানসভা ও জেলা ভিত্তিক তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকাও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়। সোমবার থেকে নথি যাচাই ও নিষ্পত্তির কাজ পুনরায় শুরু হয়েছে এবং তা ইতিমধ্যেই চলছে।


Share