Fake Call Centre

ডেটিং সার্ভিস দেওয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, ভুয়ো কল সেন্টারে অভিযান চালিয়ে আট অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ

কসবার রাজডাঙা থেকে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে। কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ এবং কসবা থানার পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়েছে। ধৃতদের মঙ্গলবার আদালতে হাজির করানো হবে।

ভুয়ো কল সেন্টার চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার আটজন।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬ ১১:৪৮

ডেটিং সার্ভিস দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা করা হয়েছে। তার জন‍্য আসর সাজিয়ে কল সেন্টার খোলা হয়েছিল। সেখানেই কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দারা অভিযান চালিয়ে আট জনকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার কলকাতা পুলিশের সাইবার বিভাগের গোয়েন্দারা কসবা থানা এলাকার পুলিশকে নিয়ে রাজডাঙার একটি অফিসে অভিযান চালায়। অভিযোগ, প্রতারকেরা সেখানে বসে গ্রাহকদের একাকিত্বের সুযোগ নিয়ে ডেটিং সার্ভিস দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দিত। বিনিময়ে টাকা আদায় করত। টাকা পাওয়ার পরে প্রতারকেরা আর ফোনে তুলতেন না। পুলিশ সূত্রের খবর, গোয়েন্দারা বেশ কিছু দিন ধরেই এই ভুয়ো কল সেন্টার চলানোর খবর পাচ্ছিলেন। সুযোগ বুঝে সেখানে অভিযান চালান। 

ঘটনাস্থল থেকে ৩০টি মোবাইল ফোন, ৫০টিরও বেশি সিম কার্ড এবং একাধিক নথিপত্র এবং রেজিস্টার উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ সূত্রের খবর, রেজিস্ট্রারে কোন গ্রাহকের কাছ থেকে কত টাকা নেওয়া হয়েছে তা লেখা রয়েছে। কিছু ব‍্যাঙ্কের নথিও পাওয়া গিয়েছে। টাকা কোথায় গিয়েছে তা তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন।

পুলিশ ঘটনায় আট জনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের মধ্যে ছ’জন মহিলা এবং দু’জন পুরুষ রয়েছেন। ধৃতদের নাম— শেখ শোভন (৩৫, পশ্চিম মেদিনীপুর), গোলক মাইতি (৩৮, পশ্চিম মেদিনীপুর), ইয়াসমিন খাতুন (২৯, গার্ডেনরিচ), লক্ষ্মী ঘোষ (৩০, কসবা), চাঁদনি কুমারী (২৫, আলিপুর), মণি কুমারী (২৬, হরিদেবপুর), প্রিয়াঙ্কা কুমারী ওরফে অঞ্জলি (২৭, যাদবপুর), নাসরিন খাতুন ওরফে কোমল (২৩, একবালপুর)। প্রিয়াঙ্কা কুমারী আদতে ঝাড়খন্ডের বাসিন্দা। 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ভুয়ো কল সেন্টারের তদারকির দায়িত্বে থাকা মূল অভিযুক্ত পলাতক। তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।


Share