ED Raid

চিটফান্ডের মাধ‍্যমে টাকা তুলে নির্মাণ ব‍্যবসায় নিয়োগ, বিদেশে টাকা পাচার, কলকাতা ও ইন্দোরের ১৭টি জায়গায় চলছে ইডির তল্লাশি অভিযান

ইডি সূত্রের খবর, অমৃত গ্রুপ অব কোম্পানি নামে একটি চিটফান্ড সংস্থার আর্থিক লেনদেনের তদন্তে ইডি তল্লাশি শুরু করেছে। এই কোম্পানির সঙ্গে সঙ্গে জড়িত কে সি দুজারি এবং কালীকিশোর বাগচী এই সংস্থার সঙ্গে জড়িত।

চিটফান্ড মামলায় কলকাতায় চলছে ইডির অভিযান।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১:২৪

চিটফান্ডের মাধ‍্যমে টাকা তুলে সেই টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে নির্মাণ ব্যবসায়। কেনা হয়েছে নির্মাণ সামগ্রী। বুধবার সকাল থেকেই কলকাতার ছ’টি জায়গায় ইডি তল্লাশি শুরু করেছে। তাঁদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা রয়েছে। শুধু কলকাতা নয়, ইন্দোরের আরও ১১টি ঠিকানায় এই তল্লাশি অভিযান চলছে।

জানা গিয়েছে, কলকাতার ইডি দফতরে আধিকারিকেরা বুধবার সকালে সাতটি দলে ভাগ হয়ে তল্লাশি অভিযানে নেমেছে। নারকেলডাঙা, নেতাজিনগর, রবীন্দ্র সরোবর-সহ কলকাতার ছ’টি ঠিকানায় অভিযান চালাচ্ছে।

ইডি সূত্রের খবর, অমৃত গ্রুপ অব কোম্পানি নামে একটি চিটফান্ড সংস্থার আর্থিক লেনদেনের তদন্তে ইডি তল্লাশি শুরু করেছে। এই কোম্পানির সঙ্গে সঙ্গে জড়িত কে সি দুজারি এবং কালীকিশোর বাগচী এই সংস্থার সঙ্গে জড়িত। নারকেলডাঙার একটি অফিস থেকেই দুর্নীতি হয়েছে। সেখানে ইডির আধিকারিকেরা গিয়েছেন।

এই সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিপুল সংখ্যক আমানতকারীদের কাছ থেকে টাকা তোলা হয়েছিল। কার্যত বেশি টাকা রিটার্ন পাওয়া যাবে বলে প্রলোভন দেখানো হয়েছিল। তবে কোনও টাকাই আমানতকারীরা পাননি। সেই টাকা বিভিন্ন ব‍্যক্তিদের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়েছে। আর্থিক লেনদেনের তথ্য গোপন করতে ভুয়ো কোম্পানির অ্যাকাউন্টে একাধিক লেয়ারের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে।

ইডি সূত্রের আরও দাবি, আমানতকারীদের এই টাকার একটা বড় অংশ কলকাতা এবং ইন্দোরের নির্মাণ ব‍্যবসায় কাজে লেগেছে। এমনকী, আর্থিক লেনদেনের তথ‍্য গোপন করে বিদেশে টাকা পাচার করা হয়েছে বলেও মনে করছে ইডির তদন্তকারীরা।

এই সংস্থাটি কার কার থেকে টাকা তুলেছিল, কী ভাবে সেই টাকা বিভিন্ন ব‍্যক্তিদের কাছে পাঠানো হয়েছিল। ডিজিটালি ‘ফুট প্রিন্ট’ কী রয়েছে তা খতিয়ে দেখছেন ইডির তদন্তকারীরা। ইসিআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে ইডি।


Share