ED Raid

আয়কর ফাঁকি দিয়ে বিদেশে ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে টাকা পাচার, কলকাতা-সহ দেশের ২৭টি জায়গায় চলছে ইডির তল্লাশি অভিযান

জানা গিয়েছে, ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট আইনের অধীনে আয়কর দফতরের অভিযোগের ভিত্তিতে দিল্লি, বেঙ্গালুরু, কলকাতার-সহ ২৭টি জায়গায় চলছে ইডির তল্লাশি অভিযান।

বালিগঞ্জ এবং নিউ আলিপুরে চলছে ইডির তল্লাশি।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০১:১১

ক্রিপ্টোকারেন্সি ব‍্যবহার করে আয়কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে কলকাতা-সহ দেশ জুড়ে চলছে ইডির তল্লাশি অভিযান। জানা গিয়েছে, ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট আইনের অধীনে আয়কর দফতরের অভিযোগের ভিত্তিতে দিল্লি, বেঙ্গালুরু, কলকাতার-সহ ২৭টি জায়গায় চলছে ইডির তল্লাশি অভিযান। কলকাতার বালিগঞ্জ সার্কুলার রোড এবং নিউ আলিপুরে দুই ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চলছে।

ইডি সূত্রের খবর, সাতটি আর্থিক লেনদেনের সংস্থার বিরুদ্ধে দু’হাজার ৫০০ কোটি টাকা অননুমোদিত লেনদেন করেছে। সবকটি সংস্থাই বেঙ্গালুরুতে অবস্থিত। তারা ক্রিপ্টোকারেন্সির কেনাবেচার কাজ করত। তার মাধ্যমেই টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। ভার্চুয়াল ডিজিটাল অ‍্যাসেট ব্যবহারে রিজার্ভ ব‍্যাঙ্কের নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখানো হয়েছে। মুনাফার যে টাকা আয়কর দফতর পায়নি। ফলে ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট আইনের লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ করেছে তাঁরা।

সূত্রের খবর, আয়কর দফতরের অভিযোগের ভিত্তিতে ইডি ইসিআইআর দায়ের করেছে। গত ২০ জুন থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই মামলার তদন্তে তল্লাশি চালায়। সেই মামলার তদন্তই ইডি কলকাতার দুই ব‍্যবসায়ীয়ের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছে। তাঁদের কাছে কাগজপত্র সামনে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

ইডি সূত্রের আরও জানা গিয়েছে, এই সংস্থাগুলি ভুয়ো কোম্পানির মাধ্যমে টাকা পাচার করেছে। কী কারণে টাকা বিদেশে পাঠানো হচ্ছে বা বিদেশ থেকে টাকা আসছে তার একটি নির্দিষ্ট কোড থাকে। সেটাকে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ভাষায় ‘পারপাস কোড’ বলা হয়। আবার যে ব‍্যাঙ্কিং চ‍্যানেল ব‍্যবহার করে টাকা বিদেশে টাকা পাঠানো হচ্ছে, কাকে সেই টাকা পাঠানো হচ্ছে, যাবতীয় তথ্য ফরেন ইনওয়ার্ড রেমিট্যান্স সার্টিফিকেটে উল্লেখ করতে হয়। সে ক্ষেত্রেও কোনও নিয়ম মানা হয়নি বলেই ইডি সূত্রের দাবি। ইডি জানিয়েছিল, এই সংস্থাগুলির কয়েকটির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ছ’কোটি টাকা ছিল। ওই অ্যাকাউন্টগুলিকে ব‍্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।


Share